Breaking News
Home / TRENDING / মুকুলও না দিলীপও না, মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে তৃতীয় ব্যক্তির সন্ধানে সঙ্ঘ-বিজেপি

মুকুলও না দিলীপও না, মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে তৃতীয় ব্যক্তির সন্ধানে সঙ্ঘ-বিজেপি

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায়:                                                                                                                                                                              পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির ময়দানে বিজেপির প্রথম পনেরো ওভারের খেলা শেষ। প্রথম পনেরো ওভারে বিজেপির সংগৃহীত রান আঠেরো জন সাংসদ। সঙ্গে অর্জুন সিংহের মতো ডাকাবুকো নেতা ও হালে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের মতো ধীর স্থির স্থিতধী সংগঠক। এখন পর্যন্ত দিলীপ ঘোষ তাঁর মতো করে খেলে দলকে একটা জায়গায় এনেছেন। পাশাপাশি মুকুল রায়ের অভিজ্ঞতা বিজেপিকে এমন একটা জায়গায় নিয়ে এসেছে যে সেখান থেকে বিধানসভার জয় দেখা যাচ্ছে। অসংখ্য ছোট-বড় নেতা ও কর্মীদের মধ্যে এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি করা গেছে যে তাঁরা মনস্থির করে ফেলেছেন যে এই তৃণমূলে আর না। তৃণমূল থেকে এসে বিজেপিতে যোগ দেওয়া নিয়ে কিছুদিন আগেও ঘোর বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। এক পক্ষ বলছিলেন, তৃণমূল থেকে যথেচ্ছ যোগদান চলবে না। বাছাই করে নিতে হবে। আর এক পক্ষের বক্তব্য ছিল বাস্তব রাজনীতির চাহিদা মেনেই কাজ করতে হবে। সে যাই হোক, শেষ পর্যন্ত রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ঘোষণা করেছেন, বিজেপিতে সবাই স্বাগত।
এই পর্যন্ত এসে দল ও সঙ্ঘ উভয়েই ভাবতে শুরু করেছে শেষ ওভারের খেলাগুলি কোন ছকে হবে? কেমন হবে কৌশল?
কার মুখ সামনে রেখে বিধানসভা নির্বাচনে যাবে দল? এই বিষয়ে যেমন চিন্তা ভাবনা শুরু করেছে দিল্লি তেমনি ভাবছে নাগপুরও। এরই মধ্যে দিল্লি (পড়ুন জেপি নাড্ডা) দু’দফায় বৈঠক করেছে মুকুল রায়ের সঙ্গে। নাগপুরও সরাসরি বা কারও মারফৎ যোগাযোগ রাখছে এমন কিছু ব্যক্তির সঙ্গে যাঁদের রাজনৈতিক পরিচয় থাকলেও সেই পরিচয়টাই একমাত্র পরিচয় নয়।
সূত্রের খবর, নাগপুর চাইছে এমন একজনকে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী করতে, সাধারণ মানুষের কাছে যাঁর ভাবমূর্তি ভিন্ন মাত্রা রাখে। শিক্ষিত মধ্যবিত্ত সমাজেও যাঁর গ্রহনযোগ্যতা আছে। সর্বোপরি যিনি বিজেপির গোষ্ঠী রাজনীতির বাইরে অবস্থান করেন। তৃণমূল ঘনিষ্ঠ কোনও কোনও মহল মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে দিলীপ ঘোষের নাম হাওয়ায় ভাসাতে চাইলেও, খবর বলছে অন্য কথা। না মুকুল না দিলীপ, কাউকেই মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী করা হবে না। দিলীপকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করার ভাবনা রয়েছে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের। আর মুকুল রায় নিজেও স্বচ্ছন্দ বোধ করেন দিল্লির রাজনীতিতেই। তিনি সাংগঠনিক কাজেই মন দিতে চান।
প্রশ্ন রয়ে গেল কে হবেন সেই তৃতীয় ব্যক্তি? যিনিই হোন, এখনও পর্যন্ত যা খবর, তাঁকে রাজ্য কমিটিতে কার্যকরী সভাপতি করে আনা হবে। তারপর যেমন বিজেপিতে দস্তুর, তিনিই আস্তে আস্তে দলের ভার বুঝে নেবেন।
এখন লাখ টাকার প্রশ্ন, কে সেই ব্যক্তি?
উত্তর জানা যাবে পুজোর আগেই।

Spread the love

Check Also

Big Breaking: হুমায়ুনকে ওয়েসির ‘ফিলার,’ কী উত্তর দিলেন তৃণমূলের বিধায়ক

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুনকে ওয়েসির ফোন! দল তাঁকে শো-কজ করেছে। তিনি সেই শো-কজের উত্তরও দিয়েছেন। তাতেও …

রাহুলের পাইলট প্রোজেক্ট, মুর্শিদাবাদ কংগ্রেসে আধিপত্য হারাতে পারেন অধীর

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে রাহুল গান্ধির নতুন উদ্যোগে মুর্শিদাবাদের কংগ্রেস রাজনীতিতে খর্ব হতে পারে অধীর …

আমি আসছি! নাম না করে শুভেন্দুকে শাসালেন আনিসুর

চ্যানেল হিন্দুস্থান, নিউজ ডেস্ক: নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারিকে শাসালেন আনিসুর রহমান। একদা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *