ওয়েব ডেস্ক:
লোকসভা ভোট পরবর্তী রাজ্য রাজনীতিতে কত কিছুই না দেখা যাচ্ছে, যা কদিন আগেও কল্পনা করা যায়নি। এই যেমন, বাম-কংগ্রেস-তৃণমূলের কাছাকাছি আসা। এবার রাজ্যে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষার ইস্যুতে একজোট হতে চলেছে তিন দল। সোমবার এমনই ইঙ্গিতই মিলল বিধানসভা অধিবেশনে। বাম ও কংগ্রেস ইতিমধ্যে বাংলায় ধর্মীয় সহিষ্ণুতা বজায় রাখতে একটি সর্বদল বৈঠকের প্রস্তাব দেয়। জবাবে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্যে বোঝা গেল সেই প্রস্তাব মেনে নিতে চলেছে তৃণমূল। ওয়াকিবহাল মহলের বক্তব্য, মুখে ধর্মীয় সহিষ্ণুতার কথা বললেও আসলে বিজেপিকে রুখতে একজোট হতে চলেছে বাম-কং-তৃণমূল।
যদিও কবে বৈঠক হবে সেই প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী জানান, তা অধ্যক্ষ ঠিক করবেন। অন্যদিকে আবদুল মান্নান বলেন, ‘‘ধর্মের জন্য কোথাও কাউকে এতদিন খুন হতে হয়নি। এখন যা হচ্ছে, আগে তা হয়নি। এই ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত সরকার পক্ষও আমাদের মতকে সমর্থন করবে। এর জন্য সর্বদলীয় আলোচনার প্রস্তাব আনার দাবি করলাম।’’ গণপিটুনির প্রসঙ্গ তুলে বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নানের সঙ্গে সর্বদলীয় প্রস্তাবের পক্ষে সুর চড়ান সুজন চক্রবর্তীও।
সব মিলিয়ে রাজ্য রাজনীতির পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে যুদ্ধটা যে বিজেপি ভার্সেস বাম-কং-তৃণমূল হতে চলেছে তা ক্রমশ পরিস্কার হয়ে উঠছে। যেমন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, ‘‘আমাদের মতাদর্শ আলাদা হতে পারে, কিন্তু বাংলাকে ধর্মীয় ভাবে ভাগ করার চেষ্টা যারা করবে, তারা বিচ্ছিন্ন হবে। ’’ তিনি আরও বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ ঝাড়খণ্ড কিংবা উত্তরপ্রদেশ নয়। যারা পশ্চিমবঙ্গকে ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজিত করার চেষ্টা করছে, তাঁরা সফল হবে না।”
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বলেন, বিজেপিকে রুখতে গেলে সব পক্ষকে এক হতে হবে।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news