জয় ঘোষ।
“হিন্দু বাঙালিদের অধিকার পশ্চিমবঙ্গে এবং ভারতে স্বাভাবিক নিয়মেই সুরক্ষিত হওয়া উচিত। কোনও হিন্দু ভারতে অনুপ্রবেশকারী নয়।” রবিবার উত্তর কলকাতার কৈলাস বোস স্ট্রীটের প্রেক্ষাগৃহে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন হিন্দু সংহতির (Hindu Sanghati) কেন্দ্রীয় সভাপতি দেবতনু ভট্টাচার্য।
এক আলোচনা সভায় দেবতনু ভট্টাচার্য দাবি করেন, ” নাগরিকত্ব বিলের মাধ্যমে বাঙালি হিন্দুকে আইনি রক্ষাকবচ দিতে হবে। তারপর এনআরসি চালু করতে হবে। এনআরসি চালু না হলে এই পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ হবে।” রাজ্যের সব জেলা এবং ব্লক স্তরেও এই ধরনের ওয়ার্কশপ হিন্দু সংহতি আয়োজন করবে বলেও জানিয়েছেন দেবতনু।
এনআরসি (NRC) এবং নাগরিকত্বের আইনগত দিকটি আলোচনা করেন আইনজীবি এবং সংবিধান বিশেষজ্ঞ সৈকত বসু। সভায় সঞ্জয় সোম, দীপ্তাশ্য যশ এবং সুমন্ত্র মাইতিও এই বিষয়ের বিভিন্ন বিষয়ে আলোকপাত করেন।
আজ আলোচনা সভায় যে সমস্ত বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হয়েছে-
১) আসামে এনআরসি- র উদ্দেশ্য সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছে। এতে অবৈধ মুসলিম অনুপ্রবেশকারীরা ভারতের বৈধ নাগরিকত্ব পেয়ে গেছে। পাশাপাশি, বিরাট সংখ্যক হিন্দু বিদেশি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন।
২) সারা ভারতে কেন্দ্র সরকারের নোটিফিকেশন গেজেট প্রযোজ্য হলেও আসামে তা কার্যকর হয়নি। ফলে হিন্দু শরণার্থীরা এই নোটিফিকেশনের সুরক্ষা পায়নি।
৩) অসমে এই নোটিফিকেশন লাগু করে হিন্দুদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য সংহতি সুপ্রিম কোর্টে মামলা করবে এবং এনআরসি ছুট হিন্দুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য আন্দোলনে নামবে।
৪) প্রথমে নাগরিকত্ব বিল পাশ না করিয়ে পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি করতে দেওয়া যাবে না।
৫) পশ্চিমবঙ্গে ১৯৫১ সালকে ‘কাট অফ ইয়ার’ ধরে এনআরসি করতে হবে।
৬) ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের পরে যে হিন্দুরা ধর্মীয় আগ্রাসনের শিকার হয়ে অথবা ভয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসেছে, তাদের সকলকে নাগরিকত্ব দিতে হবে।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news