নিজস্ব প্রতিনিধি:
মুকুল রায়ের অভিযোগ সত্যি প্রমাণ করলেন একদা তাঁর অনুগামী অনুব্রত মণ্ডল। বিরোধীদের শায়েস্তা করার জন্য, এমনকি দলের অন্দরেও কেউ বেসুরো গাইলে তাকে শবক শেখানোর জন্য গাঁজা কেস দিয়ে গারদ বন্দি করা তৃণমূলে অলিখিত নিয়মে পর্যবসিত হয়েছে : বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর একথা একাধিকবার বলেছেন মুকুল। তাঁর অন্যতম সচিবের দাদা, যিনি পেশায় স্কুল শিক্ষক, তিনিও এই একই অভিযোগে দীর্ঘদিন ধ’রে জেলের ভাত খাচ্ছেন। পুলিশ-প্রশাসনকে ব্যবহার করে দলের ভেতরে ও বাইরে ভয়ের শাসন কায়েম করার জন্য গাঁজার এমন ব্যবহার এখন তৃণমূলে দস্তুর। এতদিন পর্যন্ত বিষয়টি বিরোধীদের বক্তৃতায় উঠে এলেও, এমনটা যে সত্যিই হয় তার কোনও প্রমাণ ছিল না। এবার সেই শুন্যস্থান পুরণ করলেন মস্তিষ্কে পর্যাপ্ত অক্সিজেন বঞ্চিত (কপি রাইট: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) তৃণমূলের ডাকাবুকো নেতা অনুব্রত মণ্ডল। গাঁজা কেস দেওয়ার হুমকি সম্বলিত ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। এই ভিডিয়ো কি আদালতে কাজে লাগবে? যে সব ‘মিথ্যা মামলা’ বহুদিন ধরে চলছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ, সেই সব মামলায় কী কোনও সুরাহা করতে পারবে এই ফুটেজ!
মুকুল নিজে এই ব্যাপারে তেমন আশাবাদী নন। তিনি মনে করছেন, তাঁদের অভিযোগ যে মিথ্যে নয়, এই ফুটেজ মানুষকে সে কথা বোঝাতে পারবে। তবে আদালতে এই অভিযোগ প্রমাণ হিসেবে গ্রাহ্য হবে না বলেই মনে করছেন তিনি।
যদিও আইনজীবী ও প্রাক্তন সাংসদ সর্দার আমজাদ আলীর মতে, এই ফুটেজ আদালতে অবশ্যই কাজে লাগবে। সেক্ষেত্রে মূল যে ভিডিয়ো অর্থাৎ র-ফুটেজ আদালতে জমা করতে হবে।” অরুণাভর ঘোষের মতও একই রকম। তিনি বলছেন, দরকারে যে ভিডিয়ো যে করেছে তাঁকে স্বাক্ষী হিসেবে আদালতে আসতে হবে, তাহলেই এই ভিডিয়োটি গাঁজা মামলায় বড় ভূমিকা নেবে।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news