ওয়েব ডেস্ক:
পরের ভোটে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে বাংলাতেও সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি।
চোদ্দ সালে দুটো আসন পেয়েছিলাম। এ বার ১৮ টি আসনে জিতেছি। আজ গোটা বাংলা বিজেপিময়।
৪০ শতাংশ মানুষ বিজেপিকে ভোট দিয়েছে। বাংলার আড়াই কোটি মানুষ ভোট দিয়ে মোদীজির হাত শক্ত করেছেন।
গত তিন মাসে ৩০ জন বিজেপি কর্মীকে খুন করা হয়েছে। আমাদের কার্যকরী সভাপতি জেপি নাড্ডা সদ্য ওঁদের স্মৃতিতে তর্পণ করেছেন। ওঁদের বলিদান ব্যর্থ হবে না।
আমরা জনসঙ্ঘ করে বড় হয়েছি। যেটা একবার ধরি, ছাড়ি না। বলেছিলাম ৩৭০ ধারা বিলোপ করব, মোদীজি তা করেছেন।
শ্যামাপ্রসাদজির বলিদান যেখানে হয়েছে, ও কাশ্মীর হামারা হ্যায়।
বাংলা যে আজ ভারতের অংশ তা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদান। নইলে বাংলা পূর্ব পাকিস্তানের অংশ হয়ে যেত।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, এনআরসি হলে বাংলা থেকে শরণার্থী হিন্দুদের তাড়িয়ে দেওয়া হবে। এর থেকে বড় মিথ্যা হতে পারে না।
কিন্তু সমস্ত হিন্দু, শিখ, জৈন, খ্রিষ্টান শরণার্থীদের আশ্বস্ত করে বলতে চাই, তাঁদের ভারত সরকার মোটেই বিতারিত করবে না।
বিজেপি সরকার এনআরসি-র আগে নাগরিকত্ব সংশোধন বিল আনবে।
ভারতে যত হিন্দু, শিখ, জৈন, খ্রীষ্টান শরণার্থী রয়েছেন, তাঁদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।
প্রত্যেক শরণার্থীকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অধিকার দেওয়া হবে।
নাগরিকত্ব সংশোধন বিল এই তৃণমূল সাংসদরাই পাশ করাতে দেয়নি।
মতুয়া সমাজ হোক বা অন্য সমাজের যারা ভারতের নাগরিক হতে পারেননি, তাঁরা জেনে রাখুন তৃণমূল যতই বিরোধিতা করুক নাগরিকত্ব সংশোধন বিল পাশ করানো হবেই।
ভারতে একজন অনুপ্রবেশকারীকেও থাকতে দেওয়া হবে না।
এই মমতা দিদিই অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে সংসদে সরব হয়েছিলেন। স্পিকারের চেয়ারের দিকে শাল ছুঁড়ে মেরেছিলেন। আজ ওনার কী হল? ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি? ৪ অগস্ট ২০০৫ সালে ওই বক্তৃতা দিয়েছিলেন মমতা।
রাজনীতির স্বার্থ যদি বাংলার উপরে না থাকে তা হলে সেই রাজনৈতিক দলের কী দরকার?
আমি দলের কর্মীদের বলছি, আপনারা বাড়ি বাড়ি যান। গিয়ে বলুন শরণার্থীদের কোনও ভয় নেই। নাগরিকত্ব পাবেন।
আমরা ১৮ টা আসনে জিতেছি। কারও আর ক্ষমতা হবে না বাংলায় দুর্গাপুজোর বিসর্জন করতে না দেওয়ার। আর কেউ সরস্বতী পুজো আটকাতে পারবে না।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news