নীল রায়। বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙেছে তৃণমূলই। প্রমাণ দিয়ে এমনটাই দাবি করলেন সর্বভারতীয় বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। বুধবার দিল্লির সদর কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে করেন তিনি। সেখানেই মঙ্গলবারের রালির কথা উল্লেখ করে তৃণমূলের ওপর ঘটনার দায় চাপিয়ে দেন বিজেপি সভাপতি। তিনি বলেন, “কলেজের গেট তো বন্ধ ছিল। তাহলে বিজেপির লোকেরা কলেজে ঢুকবে কি করে। আসলে কলেজের ভিতর থেকে তৃণমূলের কর্মীরা বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙে বিজেপি কর্মীদের ঘাড়ে সেই দায় চাপাতে চাইছে। নীতি ফায়দার জন্য তৃণমূলের এমন প্রয়াস ঘৃন্য।” এমন অভিযোগ করেই ক্ষান্ত হননি বিজেপি সভাপতি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “সন্ধ্যে সাড়ে সাতটায় বিদ্যাসাগর কলেজে কোন ক্লাস চলছিল? কলেজের চাবি ছিল কাদের কাছে? যে ঘরের ভেতর থেকে বিদ্যাসাগরের মূর্তিটি ছিল দুটি ঘরের ভিতরে। বিজেপির কর্মসূচিতে হামলা করার জন্য কি কলেজের চাবি তৃণমূলের গুন্ডাদের হাতে দেওয়া হয়েছিল?” রালি এবং সংঘর্ষের ঘটনায় তিনটি ছবি দেখান অমিত শাহ। বিজেপি সভাপতি দাবি করেন, “শান্তিপূর্ণ চলা প্রচার কর্মসূচিতে আচমকা হামলা চালায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। এখানে কলকাতা পুলিশের ভূমিকা ছিল ঠুঁটো জগন্নাথের মতো। সিআরপিএফ না থাকলে আমি ওইখান থেকে বেঁচে ফিরতাম না।” দেশের রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গুলিতে ভোট হলেও বাংলার মত সন্ত্রাস কোথাও হয় না এমন কথা বলে বিজেপি সভাপতি বলেন, “নির্মলা সীতারামন, মুক্তার আব্বাস নাকভি, প্রকাশ জাভরেকরের মতো নেতারা নির্বাচন কমিশনে গিয়ে বাংলায় শাসকদলের সন্ত্রাস রোধের দাবি জানিয়ে এসেছিলেন। নির্বাচন কমিশন কিন্তু কোন ব্যবস্থা নেয়নি। এমনকি পুনঃনির্বাচনের দাবি মানেনি কমিশন। পশ্চিমবঙ্গ এমন একটি রাজ্য যেখানে তৃণমূলের নেতৃত্বে ছয় দফার ভোটে সবেতেই সন্ত্রাস হয়েছে। আর তা ইন্ধন দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বয়ং। এমন অভিযোগ করে রাজ্যের ২৩ টি আসনে জয়লাভের দাবি করেন অমিত শাহ। বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার দেয় যে তার দল কোনওভাবেই নেবে না তা এদিন স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news