নিজস্ব সংবাদদাতাঃ
দার্জিলিং এ পুলিশ মৃত্যুর ঘটনার ছায়া ইসলামপুরের ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় দেখতে পেলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুরেন্দরজীৎ সিং আলুয়ালিয়া। শনিবার দিল্লি থেকে তিনি শিলিগুড়িতে নিজের বাসভবনে আসেন ইসলামপুরের পুলিশের নির্বিচারে গুলি চালানোর ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে। শিলিগুড়ি পৌঁছেই তিনি সাংবাদিক সম্মেলন করেন। রাজ্য সরকারের নিন্দায় সরব হয়ে বিমল গুরুংয়ের প্রসঙ্গ টেনে আনেন আলুয়ালিয়া। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকার যেভাবে ইসলামপুরে পুলিশের গুলি চালানোর ফলে দুজন ছাত্র হত্যা হওয়ার পর তার দায় চাপিয়ে দিল বিজেপি ও আরএসএস-এর ওপর, ঠিক একইভাবে দার্জিলিং-এ এক পুলিশকে হত্যা করে তার দায় চাপিয়ে দিয়েছিল বিমল গুরুং ও তার অনুগামীদের ওপর। তিনি ইসলামপুরের দুজন ছাত্র হত্যার ফরেন্সিক তদন্ত দাবি করেন।
এদিন ইসলামপুরের ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক আখ্যা দিয়ে রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ করে বলেন, সরকারি চাকরি দেওয়ার নাম করে যেখানে যে বিষয়ের শিক্ষকের প্রয়োজন নেই সেখানে জোর করে পুলিশি প্রহরায় শিক্ষক নিযুক্ত করানো হয়। তিনি দাবি করেন, শিক্ষক নিযুক্তির সার্কুলেশানের সময় স্কুলের ম্যানেজমেন্ট কমিটি ও ডিআইকে ডাকা হয় পাশাপাশি লোকাল বিডিওকেও ডেকে তাদের সামনে রিজোলুশন হয় সেখানে লেখা হয় যে এই স্কুলে উচ্চ মাধ্যমিক সেকশানে উর্দু ও সংস্কৃতের কোনও শিক্ষকের প্রয়োজন নেই। পাশাপাশি তিনি প্রশ্ন তোলেন, এরপরও কি এমন ঘটনা ঘটল যে ওদিন স্কুলে পুলিশ মোতায়েন করে যে বিষয়ে কোনও শুন্য পদ নেই সেই বিষয়ের শিক্ষক জোড় করে নিযুক্ত করা হল? আর স্কুলের ম্যানেজমেন্ট কমিটি ছাত্র ও অভিভাবকরা এর প্রতিবাদ করা মাত্রই পুলিশ যেভাবে লাঠি ও বন্দুকের বাট দিয়ে ছাত্রদের নির্মমভাবে পিটিয়ে ছত্রভঙ্গ করল ও পরে গুলি চালালো কী কারনে?
তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর বিদেশ সফর চলাকালীন রাজ্যের সমস্ত ভার শিক্ষামন্ত্রী সহ ২০ জন মন্ত্রীকে দিয়ে গেছেন। তিনি আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আবার পুলিশ মন্ত্রীও। তাহলে কার নির্দেশে পুলিশ এই ঘটনায় গুলি চালালো? কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ১৭ জুন দার্জিলিং-এ ঠিক একইভাবে একজন পুলিশকে গুলি করে মেরে তার দেহ অন্য জায়গায় সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর বিমল গুরুং ও তার অনুগামীদের ওপর দায় চাপিয়ে তাদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা করা হয়।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news