চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
উপমুখ্যমন্ত্রী ও প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে শচীন পাইলটকে অপসারণের পরেও আশা ছাড়ছেন এআইসিসি (AICC)। মধ্যপ্রদেশে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার পর শচীন পাইলটকে (Sachin Pilot) হাতছাড়া করতে নারাজ তারা। সেই ইঙ্গিত মিলেছে কংগ্রেস শীর্ষ নেতাদের বক্তব্য। রাজস্থানের ভারপ্রাপ্ত এআইসিসি-র নেতা অবিনাশ পাণ্ডে বলেছেন, “পাইলটের জন্য পার্টির দরজা বন্ধ হয়নি। ভগবান ওঁকে সুবুদ্ধি দিন। বিজেপির জাল থেকে বেরিয়ে আসুন।” রণদীপ সিংহ সুরজেওয়ালা (Randeep Singh Surjewala) বলেছেন “হরিয়ানায় বিজেপির ঘেরাটোপ থেকে সঙ্গী বিধায়কদের বার করে জয়পুরে নিজের বাড়িতে ফিরে আসুন। বিজেপির সঙ্গে কথাবার্তা বন্ধ করুন।” শচীনের সঙ্গে বিজেপি নেতারা যাতে কোনওভাবেই দর কষাকষি আলোচনা করতে পারেন সে কথা মাথায় রেখেই এভাবে বিজেপি (BJP) ও পাইলটের ওপর চাপ তৈরি করছে কংগ্রেস হাইকমান্ড।
অশোক গেহলোট (Ashok Gehelot) চাইছেন এই মওকায় রাজস্থান কংগ্রেসের কর্তৃত্ব একার হাতে তুলে নিতে। রাজেশ পাইলট পুত্রের প্রতি তাঁর কটাক্ষ, “ইংরেজিতে বলিয়ে-কইয়ে, সুদর্শন হলেই হয় না। সোনার ছুরি দিয়ে খাওয়া যায় না। যাঁরা টাকা নিয়েছেন, তাঁরা এখন হোটেলে বসে রয়েছেন।” মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলোটের ইন্ধনেই মধ্যে বিধানসভার স্পিকারের পক্ষ থেকে নোটিশ ধরানো হয়েছে শচীন পাইলটকে। গেহলোট শিবির হুইপ সত্বেও পরিষদীয় দলের বৈঠকে না যাওয়ায় কংগ্রেস ইতিমধ্যেই সচিন ও তাঁর অনুগামী ১৮ জন নেতার বিধায়ক পদ খারিজ করার দাবি জানিয়েছে বিধানসভার স্পিকারের কাছে। স্পিকার সি পি যোশী তাঁদের নোটিস পাঠিয়ে জানতে চেয়েছেন, কেন তাঁদের বিধায়ক পদ খারিজ করা হবে না। দু’দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে হবে। নয়তো সচিনদের আইনি লড়াইয়ে যেতে হবে। সচিন কংগ্রেস নেতা অভিষেক মনুসিঙ্ঘভির সাহায্য চেয়েছিলেন। কিন্তু মনুসিঙ্ঘভি কংগ্রেস নেতৃত্বকেই আইনি পরামর্শ দিচ্ছেন। যাতে সচিনদের বিধায়ক পদ খারিজ হয়। সরকারও না পড়ে।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news