Breaking News
Home / TRENDING / বিজেপিকে জোট সঙ্গী হওয়ার প্রস্তাব আব্দুল করিম চৌধুরীর

বিজেপিকে জোট সঙ্গী হওয়ার প্রস্তাব আব্দুল করিম চৌধুরীর

নীল রায়:

বিজেপির জোট শরিক হিসেবে কাজ করতে চান প্রাক্তন মন্ত্রী তথা উত্তরবঙ্গের সংখ্যালঘু নেতা আব্দুল করিম চৌধুরী। ‌রাজ্য রাজনীতিতে জোর গুঞ্জন ছিল বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন এই প্রাক্তন মন্ত্রী। কিন্তু সরাসরি গেরুয়া শিবিরে যোগ না দিয়ে “বাংলা বিকাশবাদী কংগ্রেস” নামে একটি রাজনৈতিক দল গড়েছেন আব্দুল করিম চৌধুরী। দলের নামের সঙ্গে কংগ্রেস যুক্ত থাকলেও, কংগ্রেস ও তৃণমূল কারও সাথেই জোট করতে আগ্রহী নন তিনি। বরং নরেন্দ্র মোদীর দল বিজেপির জোট শরিক হিসেবে কাজ করতে আগ্রহ বেশি ইসলামপুরের প্রাক্তন বিধায়কের। ‌নিজের আগামী পরিকল্পনা সম্পর্কে করিম চৌধুরী বলেন, “বাংলা বিকাশবাদী কংগ্রেস আমার নিজের দল। বাংলার উন্নয়নের জন্য কাজ করতে চাই। বিজেপিকে জোট সঙ্গী হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছি। এখনও কোনও উত্তর আসেনি। উত্তর পেলে পরবর্তী পরিকল্পনা স্থির করব।”

প্রসঙ্গত, আগামী লোকসভা ভোটে বিজেপির সমর্থন রায়গঞ্জ আসনে লড়াই করতে চান আব্দুল করিম চৌধুরী। কিন্তু বিজেপি তাঁর প্রস্তাব গ্রহণ না করলেও এককভাবেই রায়গঞ্জে বাংলা বিকাশবাদী পার্টির প্রার্থী হবেন তিনি। প্রসঙ্গত, উত্তর দিনাজপুর জেলা থেকেই রাজনৈতিক আত্মপ্রকাশ এই সংখ্যালঘু নেতার। কংগ্রেসি ঘরানার রাজনীতিতে হাতেখড়ি। এক সময় যোগ দেন তৃণমূল কংগ্রেসে। কিন্তু ২০০৯ সালে কংগ্রেস-তৃণমূলের জোট হলে রায়গঞ্জ আসনটিতে কংগ্রেসের প্রার্থী হন দীপা দাশমুন্সি। সেই সময় তৃণমূল ছেড়ে বেরিয়ে নির্দল প্রার্থী হিসেবে রায়গঞ্জে দাঁড়ান করিম চৌধুরী। কিন্তু জেতা তো দূর অস্ত, সে যাত্রা ভোটে দাড়িয়ে জমানত বাজেয়াপ্ত হয় তাঁর। আবার ফেরেন তৃণমূলে।‌ ২০১১ সালে ইসলামপুর থেকে জিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম মন্ত্রীসভায় গ্রন্থাগার মন্ত্রী হন। মন্ত্রী হিসেবে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাতারাতি বিতর্কে জড়িয়েছিলেন করিম চৌধুরী। সরকারি গ্রন্থাগারগুলিতে প্রথম শ্রেণীর দৈনিক সংবাদপত্রগুলিকে বাদ দিয়ে, চিটফান্ডের কাগজগুলিকে রাখার বিজ্ঞপ্তি জারি করে সংবাদ শিরোনাম উঠে এসেছিলেন তিনি। ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটে সিপিএম-কংগ্রেস জোট প্রার্থী কানাইয়ালাল আগারওয়ালের কাছে হেরে যান করিম চৌধুরী। ‌কিন্তু ২০১৭ সালের গোড়ার দিকে কানহাইয়ালাল কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলে পার্টি ছাড়েন করিম চৌধুরী। গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসের নির্বাচন কমিশন থেকে বাংলা বিকাশবাদী পার্টির হয়ে ভোটে লড়ার ছাড়পত্র আদায় করেন। “পালতোলা নৌকায় দাড়বাহি মাঝি” এটাই আব্দুল করিম চৌধুরির দলের প্রতীক।

পালতোলা নৌকা নিয়ে উত্তরবঙ্গের এই সংখ্যালঘু নেতা কত দুর এগোতে পারেন এখন সেটাই দেখার।

Spread the love

Check Also

Big Breaking: হুমায়ুনকে ওয়েসির ‘ফিলার,’ কী উত্তর দিলেন তৃণমূলের বিধায়ক

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুনকে ওয়েসির ফোন! দল তাঁকে শো-কজ করেছে। তিনি সেই শো-কজের উত্তরও দিয়েছেন। তাতেও …

রাহুলের পাইলট প্রোজেক্ট, মুর্শিদাবাদ কংগ্রেসে আধিপত্য হারাতে পারেন অধীর

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে রাহুল গান্ধির নতুন উদ্যোগে মুর্শিদাবাদের কংগ্রেস রাজনীতিতে খর্ব হতে পারে অধীর …

আমি আসছি! নাম না করে শুভেন্দুকে শাসালেন আনিসুর

চ্যানেল হিন্দুস্থান, নিউজ ডেস্ক: নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারিকে শাসালেন আনিসুর রহমান। একদা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *