নিজস্ব সংবাদদাতা:
মাস্কের আড়াল থেকেই ফুটে উঠবে হাসিমুখ, দেখে তাজ্জব নেটদুনিয়া
দীর্ঘদিন পর কনটেনমেন্ট জোন ছাড়া সর্বত্রই শুরু হয়েছে লকডাউন ওঠার প্রস্তুতি। শুরু হয়েছে আনলক ওয়ান। অফিস যাওয়াও শুরু করেছেন কেউ কেউ। কিন্তু তাতে সমস্যায় পড়েছেন মহিলারা। মাস্কেই তো ঢেকে থাকছে মুখের বেশির ভাগ অংশ। তাই মনখারাপ ফ্যাশনিয়েস্তা তন্বীর। তাঁদের কথা মাথায় রেখে এক্কেবারে অন্যরকম মাস্ক তৈরি করলেন কেরলের এক চিত্রগ্রাহক। তাঁর কেরামতি মন ছুঁয়েছে প্রায় সকলেরই।
কেরলের কোট্টায়াম শহরের বাসিন্দা বিনেশ পাল। একটি স্টুডিও রয়েছে তাঁর। বিয়ে হোক কিংবা অন্য কোনও অনুষ্ঠানে ছবি তুলেই আয় করেন তিনি। এছাড়া তাঁর স্টুডিওয় কফি মাগ, টি-শার্টের উপরেও ছাপা হত। তবে করোনার থাবায় বর্তমানে উপার্জন তলানিতে ঠেকেছে। এই পরিস্থিতিতে তাই একেবারে ব্যতিক্রমী মাস্ক তৈরি করে আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন বিনেশ।

ঠিক কীরকম সেই মাস্ক? বিনেশ স্বয়ং তাঁর তৈরি মাস্ক সম্পর্কে জানান। তিনি বলেন, “যে কোনও মানুষের নাকের নিচের দিক থেকে হাসি মুখের ছবি মাস্কের উপরে ছাপিয়ে দেওয়া হয়। ওই মাস্ক পরা অবস্থায় তাকালেই মনে হবে তিনি হাসছেন। এই কঠিন সময়ে হাসি ইতিবাচক শক্তির জোগান দিতে পারে। তাই হাসিমুখের মাস্কই আমি তৈরি করছি।” কারও স্টাইল স্টেটমেন্ট যদি গোঁফ, দাড়ি হয় তবে তাও মাস্কে ছাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ক্রেতার সঙ্গে আলোচনা করে তাঁর মন মতো মাস্ক তৈরি করে দিচ্ছেন বিনেশ। এক একটি মাস্ক তৈরিতে সময় লাগে প্রায় ১৫ মিনিট। দাম মাত্র ৬০ টাকা।


ইতিমধ্যেই ব্যতিক্রমী মাস্ক তৈরি করে বেশ জনপ্রিয় হয়ে গিয়েছেন বিনেশ। এখনও পর্যন্ত কমপক্ষে ৩ হাজার মাস্ক বানিয়ে ডেলিভারি দিয়েছেন। আরও পাঁচ হাজারের মতো মাস্ক ডেলিভারি করার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছেন। ছবি তোলার ব্যবসা মার খেতে শুরু করার পর মাথায় হাত পড়ে গিয়েছিল ওই চিত্রগ্রাহকের। তবে আবারও কিছুটা ঘুরে দাঁড়াতে পেরে মনের জোর ফিরে পেয়েছেন বিনেশ।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news