চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো:
বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে ফের সংঘাত শুরু হল রাজভবন ও নবান্নের মধ্যে। অভিযোগ, রাজ্য সরকারের পরামর্শ ছাড়াই বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। নতুন উপাচার্যকে সরাসরি ‘বিজেপির লোক’ বলে তোপ দেগেছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।
সোমবার রাজভবনের তরফে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে গৌতম চন্দ্রের নাম ঘোষণা করা হয়। তিনি বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের প্রধান ছিলেন। এই নিয়োগকে কেন্দ্র করেই বিতর্ক শুরু হয়। সূত্রের খবর, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগের জন্য তিনজনের একটি নামের তালিকা পাঠায় শিক্ষা দফতর। শিক্ষা দফতরের আশা ছিল ওই তিনজনের মধ্যে একজনকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ করা হবে। কিন্তু রাজভবন তা করেনি।
তবে রাজ্যপাল একটি অর্ডার জারি করে বলেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৮১ সালের আইনের ৯-এ ধারার এক নম্বর উপধারা মেনেই গৌতম চন্দ্রকে সহ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। যাঁর মেয়াদ হবে চার বছর অথবা ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত। কিন্তু রাজভবনের এইভাবে সরাসরি নিয়োগ করাকে নিয়ে ক্ষুব্ধ শিক্ষা দফতর তথা রাজ্য সরকার। নবনিযুক্ত উপাচার্যকে ঢুকতে দেওয়া হবে না বলেও হুঙ্কার দিয়েছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। অন্যদিকে শিক্ষামন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু বলেন, “এর আগে রাজ্য সরকার সব সময় চেয়েছে যাঁরা সরকারের ধর্ণাতে বসবে, তাঁদেরকেই উপাচার্য ও সহ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ করা হবে। তবে এবারে তা না হওয়ায় রুষ্ট রাজ্য সরকার।”
পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের অভিযোগ, “এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আমরা নিয়োগের জন্য নতুন উপাচার্যের তালিকা রাজভবনে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের প্রস্তাবিত তালিকা অনুসারে নিয়োগ করা হয়নি।” একইসঙ্গে রাজ্যপালকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “উনি সর্বদা বিজেপি মনোভাবাপন্ন ব্যক্তিদের নিয়োগ করাতে চান। এটা ঠিক নয়। আমরা এই নিয়োগকে মেনে নেব না। তাছাড়া রাজ্যপালের মনে রাখা উচিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীদের বেতন দেয় রাজ্য সরকার। তাই রাজ্যের মতামত জানা জরুরী।”
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news