প্রসেনজিৎ মাহাতো:
দরজায় কড়া নাড়ছে বিশ্বকাপ। দামামা ইতিমধ্যেই বেজে গিয়েছে। আর কয়েকদিনের মধ্যেই বিশ্বকাপ জ্বরে আক্রান্ত হবে গোটা বিশ্ব। কিন্তু, ’৮৩ বিশ্বকাপ জয়ী ভারতীয় দলের সদস্যদের খবর কী, এখন কী করছেন তাঁরা? খোঁজ নিয়ে জানল ‘ চ্যানেল হিন্দুস্তান’।
এটা প্রথম পর্ব
কপিলদেব: নানান ক্রিকেটীয় উদ্যোগের সঙ্গে নিেজকে জড়িয়ে রেখেছেন। ক্রিকেট নয়, অবসর জীবনে চুটিয়ে গল্ফ খেলছেন। পেশাদার গল্ফার হিসেবে নাম করার চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি নিজের ব্যবসাও সামলাচ্ছেন। ক্রিকেটারদের নিয়ে সংগঠন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের পরামর্শে। ধারাভাষ্যের কারণে বিশ্বের এ প্রান্ত–ও প্রান্ত ঘুরে বেড়ান। দিল্লির বাড়িতে খুব কম সময় থাকেন।

সুনীল গাভাসকার: ধারাভাষ্য, লেখালেখিতে ডুবিয়ে রেখেছেন। সামাজিক কাজেও নিজেকে ব্যস্ত রাখেন। ১০ জুলাই এলে সত্তর পেরোবেন, দেখলে বোঝাই যায় না।সারা বছর খবরের মধ্যেই থাকেন। স্ত্রী, পুত্র, নাতি–নাতনিদের নিয়ে বেশ ভালই থাকেন।
মহিন্দার অমরনাথ: বিশ্বকাপ জয়ী দলের সহ–অধিনায়কও বিন্দাস আছেন। ৭০ ছুঁইছুঁই, কিন্তু শিরদাঁড়া টানটান এখনও। প্রতিদিন যোগব্যায়াম করেন। দিল্লি ছেড়ে এখন থাকেন মুম্বই ও গোয়াতে। মাঝেমধ্যে লেখালেখি করেন। ক্রিকেটীয় কাজে যুক্ত নেই বললেই চলে।

কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্ত: চেন্নাইয়ে থাকেন, সমুদ্র তীরের এক বিশালাকার বাংলোয়। দুই ছেলে,স্ত্রীকে নিয়ে সুখের সংসার। কথা বলার সময়, শরীরী ভাষায় এখনও ’৮৩র উদ্যম বজায় রয়েছে বলাই যায়। ক্রিকেট নিয়ে বই লিখেছেন।
দিলীপ বেঙ্গসরকার: খুদে প্রতিভাদের নিয়ে কাজ করে চলেছেন। মুম্বইতে নিজের ব্যবসার পাশাপাশি অ্যাকাডেমি রয়েছে। মুম্বই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বেশ নাম করেছিলেন। কোহলিকে অধিনায়ক করার পিছনে তঁার অবদান কেউ ভুলবে না…….. (চলবে)

Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news