Breaking News
Home / TRENDING / শিশুর মুখে ৫২৬টি দাঁত, বিস্মিত চিকিৎসক

শিশুর মুখে ৫২৬টি দাঁত, বিস্মিত চিকিৎসক

ওয়েব ডেস্কঃ

সাত বছরের শিশুর মুখ থেকেই বের করা হল মোট ৫২৬টি দাঁত। বুধবার বিষয়টি সাংবাদমাধ্যমকে জানায়, চেন্নাইয়ের একটি বেসকারি ডেন্টাল কলেজের চিকিত্স করা। জানা গেছে, শিশুটির নাম রবীন্দ্রনাথ। তার ডান দিকের নীচের মাড়ি থেকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে এই ৫২৬টি দাঁত বের করে আনা হয়। অস্ত্রোপচার কতে সময় লাগে টানা পাঁচ ঘন্টা। তবে এই অস্ত্রোপচারটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যেই করা হয়েছে বলে জানায় হাসপাতাল কতৃপক্ষ।


শিশুটির বাবা এস প্রবুদোস জানান, বাইরে থেকে দেখে বোঝা যেত না মুখের ভেতরে এতগুলো দাঁত রয়েছে তার ছেলের। তবে তিন বছর বয়স থেকে রবীন্দ্রনাথের ডান দিকের মাড়িটি ফুলতে শুরু করেছিল। সমস্যা নিয়ে সরকারি হাসপাতালে গেলে কোন সমাধান করতে পারেননি সেখানকার ডাক্তারেরা।

চিকিত্সরকরা জানিয়েছেন, বায়োপসি রিপোর্ট অনুযায়ী এটি ছিল অস্বাভাবিক বৃদ্ধির ব্যাপার। তবে মোবাইল রেডিয়েশনের বিষয়টি ফেলে দেওয়ার নয়। আজকাল মোবাইল টাওয়ারের কাছে বহু মানুষ বসবাস করে। তাদের শরীরের কোষে এর ফলে নানান রকমের পরিবর্তন দেখা যায়। কোনোটি নিয়ন্ত্রিত আবার কোনোটি অনিয়ন্ত্রিত। এর ফলে জিনেরও অনেক পরিবর্তন ঘটে। যার থেকে কোষ বিভাজন সংক্রান্ত নানান রোগের দেখা মেলে। তবে এই অস্বাভাবিক বৃদ্ধির পেছনে ঠিক কী কারণ তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তাঁরা।

অস্ত্রোপচারের পর সংবাদমাধ্যমের সামনে রবীন্দ্রনাথ জানিয়েছে, আর তার মাড়িতে কোনো ব্যথা নেই। উল্লেখ্য, মুম্বইয়ের একটি চিকিত্সেকরা ২০১৪ সালে একটি কিশোরীর মুখ থেকে ২৩২টি দাঁত বের করেছিলেন।

Spread the love

Check Also

Big Breaking: হুমায়ুনকে ওয়েসির ‘ফিলার,’ কী উত্তর দিলেন তৃণমূলের বিধায়ক

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুনকে ওয়েসির ফোন! দল তাঁকে শো-কজ করেছে। তিনি সেই শো-কজের উত্তরও দিয়েছেন। তাতেও …

রাহুলের পাইলট প্রোজেক্ট, মুর্শিদাবাদ কংগ্রেসে আধিপত্য হারাতে পারেন অধীর

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে রাহুল গান্ধির নতুন উদ্যোগে মুর্শিদাবাদের কংগ্রেস রাজনীতিতে খর্ব হতে পারে অধীর …

আমি আসছি! নাম না করে শুভেন্দুকে শাসালেন আনিসুর

চ্যানেল হিন্দুস্থান, নিউজ ডেস্ক: নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারিকে শাসালেন আনিসুর রহমান। একদা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *