নিজস্ব সংবাদদাতা:
উত্তর ২৪ পরগনার হাসনাবাদে পাত্রী রুকসানা খাতুন, বয়স ১৫ বছর। কাটাখলি হাইমাদ্রাসার ছাত্রী। বুধবার এই নাবালিকার ১৮ বছর না হওয়া সত্ত্বেও বিয়ে দিচ্ছিলেন বাবা মা। অবশেষে পুলিশ ও চাইল্ড লাইন জানতে পেরে বিয়ে আটকায়।
এদিন বিয়ে বাড়ির সাজো সাজো রব, এমন সময় সেখানে উপস্থিত চাইল্ড লাইনের হাসনাবাদ ব্লক প্রশাসন ও পুলিশ। পাত্রী নাবালক হওয়ায় বিয়ে রুখে দিলেন তাঁরা। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘কন্যাশ্রী’ প্রকল্পের একগুচ্ছ সুযোগ সুবিধা নিয়ে নাবালিকার পরিবারকে বোঝালেন কন্যাশ্রী প্রকল্পের অফিসার প্রণব মুখার্জি। স্থানীয় লোকজন চারিদিক থেকে ছুটে আসলেন । এই ঘটনা দেখে হতবাক হয়ে গেছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। প্যান্ডেল বাধা হয়ে গেছে, পুলিশ প্রশাসনকে দেখে তাদের সামনেই প্যান্ডেল খুলে ফেললেন নাবালিকার পরিবারের লোকজন। এবং পুনরায় আবারও ওই নাবালিকাকে ইস্কুলে পড়াশোনা করার জন্য বাড়ির লোকজন পুলিশ প্রশাসনের সামনেই প্রতিশ্রুতি দিলেন। এই বিষয় নিয়ে হাসনাবাদ বিডিও সাহেব বলেন, “প্রথমে আমি একটু অবাক হয়ে গিয়েছি, কারণ নাবালিকা নিজেই বলছেন আমি বিয়ে করবো। ফলে আমরা সবাই একত্রিত হয়ে নাবালিকাকে বোঝাবার পরে, তার বাবা মায়ের সামনে তার অবস্থার পরিবর্তন হয় এবং ইস্কুলে যেতে রাজি হয়।”
উত্তর ২৪ পরগনা মধ্যে সবথেকে বেশি বাল্যবিবাহ আটকানো হয়েছে, হাসনাবাদ ব্লক প্রশাসনের তরফ থেকে এমনটাই জানা হল। কিন্তু প্রশ্ন এত বাল্যবিবাহ কেন? তবে কি প্রচারের অভাবে? না সচেতনতার অভাব? যেমনটা বললেন মেয়ের মা জিন্না বিবি, “আমরা বাল্যবিবাহ সম্পর্কে কিছু জানি না।” প্রশাসনের কর্তারাও স্বীকার করলেন সব থেকে বেশি বাল্যবিবাহ হচ্ছে এই সুন্দরবন এলাকায়। তবে আমরা আবার সংকল্পোধাচে স্কুলে, স্কুলে গিয়ে নাবালিকা ও নাবালক দেরমধ্যে বিবাহ প্রবণতা রয়েছে, সেই সব জায়গা গুলি সচেতনতা শিবির করবো।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news