নীল রায়। “কাটমানি নিয়ে কোনও অভিযোগ পেলে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দেব।” এভাবেই নদীয়া জেলার সাংগঠনিক বৈঠকে নেতাদের হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবারের লোকসভা ভোটে নদীয়া জেলার রানাঘাট আসনে দুই লাখেরও বেশি ভোটে জিতে নিয়েছে বিজেপি। কৃষ্ণনগর আসনটিতে জয়ে এলেও তৃণমূল পিছিয়ে পড়েছে তেহট, কৃষ্ণনগর উত্তর ও দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে।সঙ্গে বনগাঁ লোকসভার অন্তর্গত নদীয়া জেলার ২ বিধানসভা আসন কল্যাণী ও হরিণঘাটাতে দাপট দেখিয়ে এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি। তাই নদীয়া জেলা নেতৃত্বের ওপর বেজায় ক্ষুব্ধ মমতা। রাজনৈতিক মহলের ধারণা নদীয়া জেলার খারাপ ফলাফলের কারণ হিসেবে নেতাদের সর্বস্তরের দুর্নীতিকে দায়ী করেছেন তিনি। তাই এদিন দুর্নীতির দায়ে ধরা পড়লে সরাসরি দলের নেতাদের জেলে পাঠানোর কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ভোটের ফলাফল ঘোষণার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই নদীয়া জেলায় সাংগঠনিক রদবদল করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। নদীয়া জেলা ভেঙে দুটি পৃথক সাংগঠনিক জেলা করে কৃষ্ণনগরের দায়িত্ব দেন না মহুয়া মৈত্রকে । রানাঘাটের সভাপতি করা হয় শংকর সিংকে। তাতেও যে সংগঠনের হাল ফিরবে তা তৃণমূলের নদীয়া জেলা তৃণমূলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা জোর দিয়ে বলতে পারছেন না। তাই এদিন নদীয়া জেলার তৃণমূল নেতাদের দুর্নীতি করলে সরাসরি পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মমতা। এদিনের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ধমক খেয়েছে প্রাক্তন জেলা সভাপতি গৌরীশংকর দত্ত, রাজ্যের মন্ত্রী তথা চাকদার বিধায়ক রত্না ঘোষ, শান্তিপুরের বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য, চাকদহ ও বীরনগর পৌরসভা চেয়ারম্যানরা।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news
Neutral News I think.