নিজস্ব প্রতিনিধি: দাঙ্গা বিধ্বস্ত উত্তর- পশ্চিম দিল্লিতে পরস্পরের সঙ্গে শান্তি আর সৌহার্দ্যের পরিবেশে থাকতেন হিন্দু মুসলমানরা। পরস্পরের উৎসবে বিপদে থাকতেন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে। হঠাৎ করে পাল্টে গেল চেনা দিল্লি। আগুন জ্বলল প্রতিবেশীর বাড়িতে। বিপদের দিনে পুলিশ প্রশাসনকে পাশে পান নি বলে অভিযোগ ছিল সবারই। এবার আর কোনও ঝুঁকি না নিয়ে নিজেদের পাড়া রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন হিন্দু মুসলমানরা একসঙ্গে। চাঁদবাগ, খাজুরি খাস, মুস্তাফাবাদ ভজনপুরার মত এলাকাগুলি এখন অনেকটাই শান্ত।
প্রচণ্ড সংঘর্ষে দিল্লি যখন চুরমার তখন কোনও রাজনৈতিক নেতাকে দেখা যায়নি পীড়িতদের দরজায়। সাহায্যের আশায় পাগলের মত মানুষ ফোন করে গিয়েছেন পুলিশ কন্ট্রোলরুমে । মুহূর্মুহূ বেজেছে ফোন। কিন্ত যথাসময়ে সাহায্য এসে পৌঁছয়নি বলে অভিযোগ করেছেন মানুষ। এখন আর সেই ছবি নেই। সাইরেন বাজিয়ে পুলিশ ভ্যান ঘুরছে বাইরে। রাস্তার মোড়ে মোড়ে পাহারা দিচ্ছেন তাঁরা। কিন্তু মানুষ আর বিশ্বাস করতে পারছেন না পরিস্থিতির ওপর। সেইদিন বিপদের সময়ে হিন্দুদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন মুসলমানরা
মুসলমানদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন হিন্দুরা। এখন সব কিছু অনেকটা শান্ত হয়ে এলেও বিপদের দিনের বন্ধুর ওপরই ভরসা রাখল দুই সম্প্রদায়।পালা করে এখন নিজেদের এলাকা পাহারা দিচ্ছে্ন তাঁরা । বাইরে থেকে এসে যাতে কেউ শান্তি ভঙ্গ না করতে পারে। নুর মহম্মদ আর সঞ্জীব শর্মা একসঙ্গে বলছেন, সেদিন যদি দুই সম্প্রদায়ের মানুষ একজোট না হতেন পুড়ে ছাই হয়ে যেত সারা দিল্লি। রাতে আগুন জ্বালিয়ে তার পাশে বসে দুইজনে বললেন, ‘আমরা সজাগ থাকি সারা রাত। একটু সন্দেহজনক কিছু দেখলেই যাতে পুলিশকে খবর দিতে পারি। ওই দিনগুলির পুনরাবৃত্তি আর চাই না।’
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news