নিজস্ব প্রতিবেদন:
কাশ্মীর সমস্যা দ্বিপাক্ষিক সমস্যা। অথচ সেই সমস্যা রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভায় তুলল পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। শুক্রবার বিশ্বের রাষ্ট্রনেতাদের সামনে ইমরান বলেন, কাশ্মীরের যা পরিস্থিতি হয়েছে। তা দেখলে বিশ্বের ১৩০ কোটি মুসলিম চরমপন্থী হয়ে উঠবে।
তিনি আরও বলেন, ধরুন আপনি কাশ্মীরে রয়েছে। তাহলে আপনি ৫৫ দিন ধরে সেখানে অচলাবস্থা দেখতে পাবেন। মুসলিম মহিলাদের উপর অত্যাচার দেখতে পাবেন। নিরাপত্তা কর্মীরা আপনার ঘরে ঢুকে পড়বে। এই পরিস্থিতিতে আপনি বন্দুক তুলে নিতে বাধ্য হবেন। এর ফলে কাশ্মীরিরা ক্রমশ দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, ৯/১১ এর আগে হিন্দুরা শ্রীলঙ্কায় সন্ত্রাস চালাত। ৯/১১ পরে নিজেদের রক্ষার্থে মুসলিমরা সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
কাশ্মীর নিয়ে ইমরান যখন বিশ্ববাসীর কাছে একের পর এক মিথ্যে কথা বলে যাচ্ছে, তখন সামনের সারিতে বসে তা শুনছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু সমস্ত সীমা লঙ্ঘন করে একটা সময় ইমরান মোদীর সঙ্ঘ প্রেম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ইমরান বলেন, “কাশ্মীরে ৯০ হাজার সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। ৮০ লক্ষ লোকের উপর কারফিউ জারি রয়েছে। সঙ্ঘকে আমি বলতে চাই, মোদী সঙ্ঘের আজীবন সদস্য। সঙ্ঘ এমন একটি সংগঠন যা হিটলার ও মুসোলিনির দ্বারা প্রভাবিত। তাঁরা মুসলিমদেরকে ঘৃণা করে। এই ঘৃণার বিচারধারাই মহাত্মা গাঁধীকে হত্যা করেছে। এই ঘৃণার বিচারধারাকে সঙ্গে নিয়েই ২০০২ সালে মোদী গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন মুসলিমদেরকে হত্যা করেছে।”
আন্তর্জাতিক মঞ্চে ইমরানের এই মিথ্যে ভাষণ নিয়ে সোচ্চার হয়েছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। বিদেশ মন্ত্রক থেকে বলা হয়েছে, দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় সম্বন্ধে মিথ্যে কথা বলে রাষ্ট্র সঙ্ঘের নিয়ম ভেঙেছেন ইমরান। তাই তাঁর বিরুদ্ধে আমরা ইউএনজিএ-তে অভিযোগ জানিয়েছি। তবে ইমরান হিংসার পথ বেছে নিলেও মোদী কিন্তু সেপথে হাঁটেননি। এদিন রাষ্ট্রসঙ্ঘের মঞ্চে দাঁড়িয়ে বিশ্ববাসীকে শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়েছেন মোদী।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news