চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো:
রাম মন্দির ভারতের জাতীয় ঐক্যের প্রতীক আরও মজবুত করবে। ‘রাম, রাষ্ট্র ও রুটি’ একে অপরের পরিপূরক। সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মঙ্গলবার এমনটাই বললেন উত্তরপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য।
মৌর্য বলেন, “আমি রাম, রাষ্ট্র এবং রুটিকে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে দেখছি। রাম জন্মভূমিতে মন্দিরটি তৈরি হতে চলেছে তা প্রায় ৫০০ বছরের যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটাবে। যার জন্য অগণিত রামভক্ত শহীদ হয়েছিলেন।” অতীতে রাম মন্দির আন্দোলন এমন একটি রূপ নিয়েছিল, যেখানে পুরো দেশ জড়িয়েছিল। এই আন্দোলনকে হিন্দু-মুসলমানের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে ভুল হবে মনে করেন উত্তরপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী।

তাঁর কথায়, “১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে আমরা লড়াই করে স্বাধীনতা পেয়েছিলাম। ঠিক একইভাবে আমি অনুভব করি যে ২০১৯ সালের ৯ নভেম্বর ভারতীয়দের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। যেদিন সুপ্রিম কোর্টের রায়ে অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের পথ প্রশস্ত হয়েছিল। কিন্তু ৫ আগস্ট আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ এদিন ভগবান রামের একটি বিশাল মন্দির তৈরির কাজ শুরু হবে।” ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে রাম মন্দির আন্দোলনকে কীভাবে একসারিতে বাঁধলেন এই বিজেপি নেতা। সেই প্রশ্ন উঠতেই তিনি জবাব দেন, রামলালার জন্য একটি মহৎ মন্দির নির্মিত হতে চলেছে এবং এটি দেশের মধ্যে একটি শক্তিশালী মন্দির হবে। যা জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে ধরা হবে।
অন্যদিকে, এই মন্দির নির্মাণকে প্রাধান্য দিতে চাইছে না বিরোধী দলগুলি। সিপিআই সাংসদ বিনয় বিশ্বম এই অনুষ্ঠান জাতীয় অখণ্ডতার পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেছেন। এমনকি তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভরেকরকে চিঠি দিয়ে এই অনুষ্ঠান দূরদর্শনে দেখানো যাবে না বলে জানিয়েছেন।

কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে ভূমি পুজোর অনুষ্ঠানটি ভিডিও কনফারেন্সে করা যেতে পারে বলে জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর বিপরীত অবস্থানে দাঁড়িয়ে এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ার বলেন, অনেকে মনে করেন মন্দির নির্মাণ হলে কোভিড-১৯ পরিস্থিতির সহায়তা হবে। কিন্তু মহারাষ্ট্রের সরকারের করোনা নির্মূল করাই মূল লক্ষ্য।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news