জয় ঘোষ, কলকাতা:
বিজেপিতে যোগদান পর্ব নিয়ে এবার ‘ফতোয়া’ জারি করল রাজ্য বিজেপি। তৃণমূল- কংগ্রেস- সিপিএম সহ যে কোনও রাজনৈতিক দল থেকে বিজেপিতে যোগ দিতে চাইলে তাকে দিল্লিতে নয়, কলকাতাতেই যোগ দিতে হবে, এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি হল দলে।
মূলত, বিজেপির নির্বাচন কমিটির আহ্বায়ক মুকুল রায়কে আটকাতে এই নির্দেশিকা জারি হল বলে দলের অন্দরে খবর। কাঁচড়াপাড়া ও হালিশহরে তৃণমূল কাউন্সিলারা মুকুল রায়ের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিলেও তাঁরা ফের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে পতাকা তুলে নিয়ে তৃণমূলে ফিরে যায়। যেখানে বিজেপির প্রচণ্ড পরিমানে ‘ফেস লস’ হয় বলে বিজেপির একাংশের বক্তব্য। ‘আদি’ বিজেপিরই আর এক অংশ অবশ্য অন্য কথা বলছে। তাঁদের বক্তব্য, তৃণমূল যে ভাবে পুলিশের ভয় দেখিয়ে বিজেপিতে আসা কাউন্সিলরদের ঘরে ফেরাল, তার বিরুদ্ধে সমবেত প্রতিবাদ করা উচিত ছিল। মুকুলের ঘাড়ে দায় চাপিয়ে যাঁরা হাত ধুয়ে নিচ্ছেন, মানুষের কাছে তারা দলের নগ্ন রুপটাই প্রকাশ করে ফেলছেন। একই সঙ্গে এই অংশটি আর একটি কথাও বলছে। তাঁদের বক্তব্য, যোগদান পর্যন্ত ঠিক ছিল। এখনই পুরসভা দখল করতে গিয়ে ভুল করেছেন মুকুল। এত তাড়াহুড়ো করার দরকার ছিল না।
বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, বিজেপির জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, বিজেপিতে যোগ দিতে চাইলে তাঁকে বুথ স্তরে বিজেপিতে যোগ দিতে হবে। সেখানে বিজেপির নতূন সদস্য পদও নিতে হবে। এর পর মণ্ডল, জেলা ও রাজ্য স্তরে আলাদা আলাদা কমিটি তৈরি করা হচ্ছে। তবে একমাত্র বিধায়ক ও সাংসদদের বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য রাজ্য দপ্তরে যোগদানের ব্যবস্থা করা হবে। তবে অন্যদল থেকে আসা কর্মীদের ক্ষেত্রে সেই জেলাকেই প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।
বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চট্টোপাধ্যায় জানলেন, “দিল্লিতে বিজেপিতে যোগদিলেও তাঁকে তো কাজ করতে হবে বাংলায়। তাই তার থেকে কলকাতায় যোগ দেওয়াই ভালো। কারণ দল চাইছে দিল্লির থেকে যেখানে রাজনীতি করবেন। সেখানকার নেতৃত্বে সঙ্গে যোগাযোগ করলে ভাল হয়। দিল্লি গিয়ে যোগ দিলে হবে না। রাজ্য দলের অনুমোদনে রাজ্যে যোগ দিতে হবে। রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশ মেনে চলতে হবে। “
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news