প্রসেনজিৎ ধর:
তিনি যখন সাংবাদিক ছিলেন, তখন ছবিটা অনেকটা অন্যরকম ছিল। তৎকালীন বিরোধী নেত্রী আজকের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সকালবেলা যে ক’জনকে ফোন করতেন তার মধ্যে তিনি, মানে প্রবীর ঘোষাল ছিলেন অন্যতম। সেই সময়ের রাজনীতি, সাংবাদিকতা যাঁরা কাছ থেকে দেখেছেন তাঁরা এমনটাই বলে থাকেন। পালা বদলে পেশা বদলেছে প্রবীর ঘোষালের। সাংবাদিকতা থেকে অবসরের পর প্রবীর ঘোষাল এখন পুরো সময়ের রাজনীতিক, বিধায়ক।
উত্তরপাড়ার বিধায়ক হবার পর থেকে তাঁর সাংবাদিক-চোখে, সাংবাদিক-কানে এমন কিছু পড়েছে, এমন কিছু গেছে যার সঙ্গে তিনি মেলাতে পারেননি তৃণমূলের শুরুর দিনগুলোকে। অসৎ মানুষের আধিপত্য, দুর্বৃত্যদের দাপাদাপি দলটাকে ক্রমশ সরিয়ে নিয়েছে ভদ্রলোকেদের থেকে, সাধারণ মানুষের থেকে।
প্রবীরের ঘনিষ্ঠ মহল এমন কথা বলে থাকেন। এবার প্রবীরের বিধায়ক সত্ত্বা ছাপিয়ে কি আবার জেগে উঠল সাংবাদিক প্রবীর? অন্তত কিছুটা হলেও। যে প্রবীরকে হাতে ধরে কাজ শিখিয়েছিলেন কিংবদন্তি বরুন সেনগুপ্ত।
বিষয়টা বিশদে এরকম :
‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচির সার্থকতা নিয়ে বলতে গিয়ে এতদিনে ফোঁস করেছেন প্রবীর। বলেছেন, দুর্নীগ্রস্থদের দল থেকে না তাড়ালে সার্থকতা পাবে না ‘দিদিকে বলো’। প্রবীর মনে করেন, যেসব জনপ্রতিনিধি দুর্নীতিগ্রস্থ এবং মানুষের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে তাঁদের দল থেকে তাড়িয়ে দিতে হবে। তাহলেই দলের লাভ হবে। এমনকি তাঁর এই মতের সঙ্গে হুগলি জেলার অনেক বিধায়কও সহমত বলে এদিন জানান প্রবীর।
হুগলি জেলাতেই নাকি এমন নেতা আছেন যাঁরা শুন্য থেকে শুরু করে আজ ধনকুবের হয়েছেন। এই অভিযোগ জেলারই সাধারণ মানুষের। প্রবীর তাঁর বক্তব্যে এমনই কাউকে ইঙ্গিত করলেন নাকি সাধারণ ভাবেই তাঁর পর্যবেক্ষণ বললেন, তা স্পষ্ট না হলেও এতটুকু পরিস্কার দেরিতে হলেও মাথা তুলতে শুরু করেছেন প্রবীর।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news