চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো:
তথাকথিত বাবরি মসজিদ ধ্বংসে চোখের জল ফেলা কংগ্রেস শেষ পর্যন্ত সুর পাল্টাল।
অযোধ্যায় ভূমি পূজনের ঠিক আগের দিন, অর্থাৎ আজ, সোমবার, প্রিয়ঙ্কা বঢ়রা একটি বিবৃতি প্রকাশ করে বলেছেন, শ্রীরামের মন্দিরের ভূমি পূজনে আসলে দেশের একতাই উদযাপিত হবে।

বিবৃতিতে প্রিয়ঙ্কা আরও বলেছেন, শ্রীরামে ও মাতা সীতার আশীর্বাদে ভূমি পূজনের এই উৎসব দেশের ঐক্য ভ্রাতৃত্ব ও বন্ধুত্বের ভিত মজবুত করতে পারে।
রাম মন্দির নিয়ে, কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের কোনও প্রতিনিধি এই প্রথম এমন মন্তব্য করলেন। কংগ্রেসের এ হেন অবস্থান বদল প্রত্যাশিত ভাবেই গোটা দেশের রাজনৈতিক মহলের নজর কেড়েছে। শুধু দেশে নয় প্রতিবেশী রাষ্ট্র পাকিস্তান ও বাংলাদেশের কাছেও এই বার্তা অভাবনীয় এবং অবশ্যই গম্ভীর চর্চার বিষয়।
গাঁধী পরিবারের কোনও সদস্য এমন প্রকাশ্যে শ্রীরামের প্রতি ভক্তি প্রদর্শন করছেন, এই ঘটনা অভূতপূর্ব। প্রিয়াঙ্কা বলেছেন, মর্যাদা পুরুষোত্তম রাম সারল্য, সংযম, সাহস, ত্যাগ আর আস্থার প্রতীক। তাঁর কথায় দীনবন্ধু রাম সকলের মধ্যে আছেন, সকলের সঙ্গেও আছেন।
প্রিয়ঙ্কার এই বক্তব্য সমগ্র দেশের রাজনৈতিক আলোচনায় নতুন রসদ এনে দিয়েছে।

এমনিতে উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসের দায়িত্ব নেওয়ার পর সে রাজ্যের মানুষের মনোভাব কে সম্মান দেওয়াটাও যে কোনও বুদ্ধিমান রাজনীতিকের কাজ। সেই দিক থেকে দেখলে সনিয়া-তনয়া নিছক রাজনীতির স্বার্থেই রাম মন্দির প্রতিষ্ঠা করে বিজেপির রাজনৈতিক লাভে ভাগ বসাবার চেষ্টা করেছেন বলেও অনেকে মনে করছেন।
যাই হোক সঙ্ঘ, বিজেপি বা যে সকল ধর্মীয় সংগঠন রামলালার মন্দির নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত তারা প্রায় সকলেই শ্রীরাম কে ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতীক মনে করেন। বলা যেতে পারে প্রিয়ঙ্কাও আজ একই কথা বলে রাম মন্দির নিয়ে দেশের একটি বড় অংশের মানুষের আবেগ কে সমর্থন করেছেন।

Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news