Breaking News
Home / TRENDING / ভারতের ট্র্যাক ঢুকতে দিচ্ছে না ঢাকা, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি ব্যবসায়ী সংগঠনের

ভারতের ট্র্যাক ঢুকতে দিচ্ছে না ঢাকা, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি ব্যবসায়ী সংগঠনের

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো:

চিনের পণ্যগুলির ওপর ভারতে কড়াকড়ি শুরু হওয়ার মধ্যে, পশ্চিমবঙ্গের পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে বাণিজ্যিক আদানপ্রদানে বাধা দিল বাংলাদেশের ব্যবসায়িক সংগঠনগুলি। বুধবার থেকে ব্যবসায়ীদের বাধার মুখে পড়ে বাংলাদেশে পণ্য সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে ভারতের। ব্যবসায়ীদের এই বাধার মূল কারণ হিসেবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সিদ্ধান্তকে দায়ী করা হয়েছে। বলা হচ্ছে, কোভিড-১৯ সংক্রমণের কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশ থেকে আগত ট্র্যাক ভারতে ঢুকতে দিচ্ছে না পশ্চিমবঙ্গ সরকার। অথচ ৭ জুন থেকে ঢাকা ভারতীয় ট্র্যাক নিজেদের দেশে ঢোকার অনুমতি দিয়েছে। 

এ প্রসঙ্গে ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান এক্সপোর্টার অর্গানাইজেশনের (FIEO) চেয়ারম্যান সুশীল পাটোয়ারী বলেন, “বাংলাদেশ থেকে আগত ১০০০টি ভারতীয় ট্রাককে পশ্চিমবঙ্গ সীমান্তে আটকে দেওয়া হয়েছে। ঢাকা চেয়েছে তাদের পণ্য দেশে ঢোকার অনুমতি দিক রাজ্য সরকার। কিন্তু করোনা সংক্রমণের জন্য ঢুকতে না দেওয়ায়, বাংলাদেশের ব্যবসায়ী সংগঠনও কোনও ট্র্যাককে নিজেদের দেশে ঢুকতে দিচ্ছে না। তাই পশ্চিমবঙ্গ সরকার যাতে ট্র্যাক ঢুকতে দেয় সেজন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি চিঠি লেখা হয়েছে।”  পাটোয়ারী চিঠিতে লিখেছেন, “আপনি ভালো করেই জানেন। পেট্রাপোল-বেনাপোল এবং ঘোজাডাঙ্গা-ভোমরা স্থলসীমান্ত দিয়ে রফতানি আবার শুরু হয়েছে। যথাযথ পদ্ধতি এবং নিয়ম অনুসরণ করে ভারতীয় পণ্য বাংলাদেশে রফতানি করা হয়েছিল। তবে দুই সীমান্ত দিয়ে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানি পুনরায় শুরু হয়নি। যার ফলে এক্সিম সম্প্রদায় মারাত্মক সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে।” তিনি ওই চিঠিতে আরও উল্লেখ করেন ৫০০-র বেশি বাংলাদেশি ট্রাক পণ্য নিয়ে বেনাপোলে অপেক্ষা করছে পশ্চিমবঙ্গে ঢোকার জন্য।

তবে বাংলাদেশের এই পদক্ষেপের জন্য দুই পক্ষ কিছু না বললেও, বাণিজ্যিক বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্প্রতি বেজিং ও ঢাকার মধ্যে বাণিজ্যিক চুক্তি হয়েছে। ফলে ভারতকে এখন পাশে রেখে চিনের সঙ্গে বাণিজ্য করতে চাইছে ঢাকা। তবে বাংলাদেশে রফতানির পরিমাণ দিন দিন কমে আসছে ভারতের। গত অর্থ বছর এপ্রিল থেকে ফেব্রুয়ারি মধ্যে ৯.৪ শতাংশ রফতানি কমেছে বাংলাদেশে যার ফলে ৭.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার লোকসান হয়েছে। যা ভারতের মোট রপ্তানির এক শতাংশ হ্রাস। কটন হল বাংলাদেশে, ভারতের বৃহত্তম রফতানি দ্রব্য। এ ছাড়া খনিজ জ্বালানি, অটোমোবাইল এবং মূলধনের পণ্য রফতানি করে ভারত। আবার অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে ভারতের আমদানি ২২ শতাংশ বেড়েছে। যা প্রায় ১.২ বিলিয়ন ডলার। গার্মেন্টস এবং টেক্সটাইল পণ্য বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৪০ শতাংশ আমদানি করে ভারত। এ ছাড়া কিছু কাঁচামালও প্রতিবেশী এই দেশ থেকে কেনা হয়।

Spread the love

Check Also

Big Breaking: হুমায়ুনকে ওয়েসির ‘ফিলার,’ কী উত্তর দিলেন তৃণমূলের বিধায়ক

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুনকে ওয়েসির ফোন! দল তাঁকে শো-কজ করেছে। তিনি সেই শো-কজের উত্তরও দিয়েছেন। তাতেও …

রাহুলের পাইলট প্রোজেক্ট, মুর্শিদাবাদ কংগ্রেসে আধিপত্য হারাতে পারেন অধীর

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে রাহুল গান্ধির নতুন উদ্যোগে মুর্শিদাবাদের কংগ্রেস রাজনীতিতে খর্ব হতে পারে অধীর …

আমি আসছি! নাম না করে শুভেন্দুকে শাসালেন আনিসুর

চ্যানেল হিন্দুস্থান, নিউজ ডেস্ক: নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারিকে শাসালেন আনিসুর রহমান। একদা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *