নিজস্ব সংবাদদাতা
প্রশাসন সতর্ক থাকলে কেরলের বন্যা পরিস্থিতি অনেকটাই সামাল দেওয়া যেত। বন্যা পরিস্থিতির পর্যালোচনা করে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, জুলাইয়ের মাঝামাঝি কেরলের ইড্ডুকী বাঁধের ৮৫ শতাংশ ভরে গিয়েছিল । তখনই যদি প্রশাসনিক কর্তারা ইড্ডুকীর ৩৯টি লক গেট থেকে অল্প অল্প করে জল ছাড়া শুরু করতেন তাহলে বন্যা এই ভয়ঙ্কর আকার ধারন করত না। কেরলের বিদ্যুৎ বন্টন দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, জুলাই মাসেই যে বাঁধ প্রায় ভরে এসেছে, সে কথা রাজ্য সরকারকে তখনই জানিয়ছিল তারা। আবহাওয়া দফতরের তরফেও এই বর্ষায় কেরলে সাধারনের তুলনায় বেশী বৃষ্টি হবে বলে সতর্ক করা হয়েছিল রাজ্যকে। কিন্তু কেরলের কাছে উন্নত মানের ওয়ার্নিং সিস্টেম না থাকায় জল কখন বিপদসীমা পেরিয়ে গিয়েছে, জানতেই পারেননি আধিকারিকরা। যখন জানতে পারেন, তখন বাঁধ থেকে জল না ছাড়লে তা ভেঙে পড়তে পারত। এছাড়াও কেরলে বন্যার পূর্বাভাস জানানোর কোনও কন্ট্রোল রুম নেই। জাতীয় জল কমিশনের তরফে কেরলে কোনও নেটওয়ার্কিং স্টেশনও তৈরি করা হয়নি। ফলে কী বিপদ আসতে চলেছে জানতেই পারেননি দায়িত্বশীল পদাধিকারিকরা। উল্লেখ্য, এখনও পর্যন্ত কেরলে বন্যায় ৪০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঘরছাড়া প্রায় ৭ লক্ষ মানুষ।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news