ওয়েব ডেস্ক
কিছুক্ষণ আগেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান, সে দেশের পার্লামেন্টে ভারতীয় বায়ুসেনার কমান্ডার অভিনন্দনকে ছেড়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। পার্লামেন্টে দাঁড়িয়েই ইমরান যুদ্ধের পরিবর্তে, শান্তির বার্তা দিয়েছেন। কিন্তু হঠাৎ পাকিস্তানের এই ভোল বদল নিয়ে সন্দিহান ভারত। কারণ পুলওয়ামা ঘটনার পর বারবার মিথ্যে বলেছে পাকিস্তান। পাশাপাশি পাকিস্তানের উপর একটা আন্তর্জাতিক চাপ থাকার জন্য, তারা কিছুটা নরম হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানকে বিশ্বাস না করে নিজেদের রণনীতি ঠিক করতে দফায় দফায় সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেছে সেনা প্রধানরা। এদিন পাকিস্তানের তরফে শান্তি ঘোষণার পরই সেনা কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বৈঠকের পর স্থল-জল-বায়ু তিন বাহিনীর প্রতিনিধিরা সাংবাদিক সম্মেলন করেন।
বায়ুসেনার প্রতিনিধি এয়ার ভাইস মার্শাল আর জিকে কাপুর বালাকোটের সেনাবাহিনীর অভিযান নিয়ে বলেন, “তাদের কাছে জঙ্গি শিবির ধ্বংসের প্রমাণ রয়েছে। তবে কতজন মারা গিয়েছে এখনই বলা সম্ভব নয়। শিবির ধ্বংসের তথ্য প্রকাশ কোথায়, কিভাবে পেশ করা হবে তা ঠিক করবে দেশের নেতৃত্বেই। পাকিস্তান দাবি করেছিল, তারা এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ব্যবহার করেনি। কিন্তু তিনি প্রমাণ হিসেবে আকাশ থেকে আকাশ এরাম ক্ষেপণাস্ত্রের একটি অংশ সাংবাদিকদের দেখান। তাঁর দাবি, এই ক্ষেপণাস্ত্র একমাত্র এফ-১৬ যুদ্ধবিমানই বহন করতে পারে।”
স্থল সেনার প্রতিনিধি মেজর জেনারেল সুরেন্দ্র সিংহ বলেন, গত দু’দিনে ৩৫ বার সংঘর্ষবিরতি লংঘন করেছে পাকিস্তান। ভারতে এসে বোমা ফেলেছে পাক যুদ্ধ বিমান। তাদের লক্ষ্য ছিল ভারতের সেনা ঘাঁটি। তবুও বারবার ভুল এবং মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে পাকিস্তান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন নৌসেনার প্রতিনিধি রিয়াল অ্যাডমিরাল ডিএস। তিনি বলেন, পাকিস্তান প্ররোচনা দিলে ফের প্রত্যাঘাত হবে।
উল্লেখ্য, এদিন অভিনন্দনকে ছাড়ার জন্য প্রবল কূটনৈতিক চাপ তৈরি করেছিল ভারত। ফলে আন্তর্জাতিক মহল থেকেও অভিনন্দনকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ তৈরি করা হয়েছিল। কারণ জেনেভা সম্মেলনের নিয়ম ভেঙে পাকিস্তান, কোনভাবেই অভিনন্দনকে রাখতে পারবে না বলে নির্দেশ ছিল। পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রক সূত্রের খবর, সীমান্ত দিয়ে শুক্রবার ভারতের মাটিতে পা রাখবেন ভারতীয় বায়ুসেনার পাইলট অভিনন্দন।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news