নিজস্ব সংবাদদাতা
নতুন রাজ্য হওয়ার পর এই প্রথম বিধানসভা নির্বাচন হল তেলেঙ্গানায়। তার ওপর অকাল ভোট। তাই লাইম লাইট পড়েছে এই রাজ্যের ওপর। বিভ্রাটেরও অন্ত ছিল না।
এক, তালিকায় নাম না থাকায় অনেকেই ভোট দিতে পারেননি। এর জন্য ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক রজত কুমার। তাঁর কথায়, আগেই সাত নম্বর ফর্ম পূরণ করতে বলা হয়েছিল। অনেকেই তা করেননি। এছাড়া তিনি এও স্বীকার করেছেন, নাম নথিভুক্তকরণের ক্ষেত্রে কিছু গণ্ডগোল হয়েছে।দুই, রাজ্যের মোট ১১৯ টি আসনে নির্বাচন শেষ হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পর ভোট দানের হার ঘোষণা করা হয়। শেষপর্যন্ত কত ভোট পড়ল, তা নিয়ে কৌতুহলের অন্ত ছিল না। শনিবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জানান, মোট ভোট দানের হার ৭৩.২০ %।
মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জানিয়েছেন, নতুন রাজ্যে ভোট দানের ক্ষেত্রে ভোটারদের মধ্যে যথেষ্ট উত্সাহ ছিল। শুক্রবার বিকেল ৫টার পরেও বিভিন্ন বুথে লাইন দেখা যায়। সন্ধে গড়িয়ে যাওয়ার পরেও মানুষ ভোট দেন। ২.৮কোটি মোট বৈধ ভোটার।
বহু ভোটারের নাম বাদ পড়া ঘিরে বিভ্রাটের অন্ত ছিল না। নাম বাদ যাওয়ার তালিকায় রয়েছেন বিশিষ্ট খেলোয়াড় জ্বালা গাট্টা, প্রবীণ আইপিএস অফিসার। এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক
একইসঙ্গে জানিয়েছেন, গাট্টার নাম আগেই বাদ গিয়েছিল। এই দু’জন ছাড়া আর অনেকের নাম বাদ গেছে। তাঁরা বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। এনিয়ে মামলা ও হয়েছে।
এত কিছুর পরেও আশায় বুক বাঁধতেই পারেন কে সি আর। অন্তত বুথ ফেরত সমীক্ষা যা বলছে, তাতে তাঁর হাসি চওড়া হতেই পারে। যদিও অনেক রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ বলছেন, কে সি আর আঁচ করেছিলেন তাঁর জনপ্রিয়তা পড়তির দিকে। তাই তড়িঘড়ি অকাল ভোট ডেকে আনেন তিনি। কেসিআরকে ঠেকাতে রাহুল গান্ধী জোট করেছিলেন। বুথ ফেরত সমীক্ষা এগিয়ে রেখেছে কেসিআরকে।
শেষ হয়েছে ৫ রাজ্যের নির্বাচন। দিল্লি দখলের সেমিফাইনালে কে কী স্কোর করল তা জানতে আর এক দিনের অপেক্ষা।
এই সেমিফাইনালের ফল দেখেই বোঝা যাবে লোকসভার ট্রেন্ড। তাই এই লড়াইয়ে সব দল মরিয়া হয়ে আসরে নেমেছিল। কেউ কাউকে এক ছটাক জমি ছাড়েনি। সব মিলিয়ে জমে উঠেছিল দিল্লি দখলের সেমিফাইনাল পর্ব। এখন স্কোর বোর্ডের দিকে নজর। শুরু কাউন্টডাউন।
নিজস্ব সংবাদদাতা:
নতুন রাজ্য হওয়ার পর এই প্রথম বিধানসভা নির্বাচন হল তেলেঙ্গানায়। তার ওপর অকাল ভোট। তাই লাইম লাইট পড়েছে এই রাজ্যের ওপর। বিভ্রাটেরও অন্ত ছিল না।
এক, তালিকায় নাম না থাকায় অনেকেই ভোট দিতে পারেননি। এর জন্য ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক রজত কুমার। তাঁর কথায়, আগেই সাত নম্বর ফর্ম পূরণ করতে বলা হয়েছিল। অনেকেই তা করেননি। এছাড়া তিনি এও স্বীকার করেছেন, নাম নথিভুক্তকরণের ক্ষেত্রে কিছু গণ্ডগোল হয়েছে।দুই, রাজ্যের মোট ১১৯ টি আসনে নির্বাচন শেষ হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পর ভোট দানের হার ঘোষণা করা হয়। শেষপর্যন্ত কত ভোট পড়ল, তা নিয়ে কৌতুহলের অন্ত ছিল না। শনিবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জানান, মোট ভোট দানের হার ৭৩.২০ %।
মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জানিয়েছেন, নতুন রাজ্যে ভোট দানের ক্ষেত্রে ভোটারদের মধ্যে যথেষ্ট উত্সাহ ছিল। শুক্রবার বিকেল ৫টার পরেও বিভিন্ন বুথে লাইন দেখা যায়। সন্ধে গড়িয়ে যাওয়ার পরেও মানুষ ভোট দেন। ২.৮কোটি মোট বৈধ ভোটার।
বহু ভোটারের নাম বাদ পড়া ঘিরে বিভ্রাটের অন্ত ছিল না। নাম বাদ যাওয়ার তালিকায় রয়েছেন বিশিষ্ট খেলোয়াড় জ্বালা গাট্টা, প্রবীণ আইপিএস অফিসার। এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক
একইসঙ্গে জানিয়েছেন, গাট্টার নাম আগেই বাদ গিয়েছিল। এই দু’জন ছাড়া আর অনেকের নাম বাদ গেছে। তাঁরা বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। এনিয়ে মামলা ও হয়েছে।
এত কিছুর পরেও আশায় বুক বাঁধতেই পারেন কে সি আর। অন্তত বুথ ফেরত সমীক্ষা যা বলছে, তাতে তাঁর হাসি চওড়া হতেই পারে। যদিও অনেক রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ বলছেন, কে সি আর আঁচ করেছিলেন তাঁর জনপ্রিয়তা পড়তির দিকে। তাই তড়িঘড়ি অকাল ভোট ডেকে আনেন তিনি। কেসিআরকে ঠেকাতে রাহুল গান্ধী জোট করেছিলেন। বুথ ফেরত সমীক্ষা এগিয়ে রেখেছে কেসিআরকে।
শেষ হয়েছে ৫ রাজ্যের নির্বাচন। দিল্লি দখলের সেমিফাইনালে কে কী স্কোর করল তা জানতে আর এক দিনের অপেক্ষা।
এই সেমিফাইনালের ফল দেখেই বোঝা যাবে লোকসভার ট্রেন্ড। তাই এই লড়াইয়ে সব দল মরিয়া হয়ে আসরে নেমেছিল। কেউ কাউকে এক ছটাক জমি ছাড়েনি। সব মিলিয়ে জমে উঠেছিল দিল্লি দখলের সেমিফাইনাল পর্ব। এখন স্কোর বোর্ডের দিকে নজর। শুরু কাউন্টডাউন।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news