ওয়েব ডেস্ক
পাকিস্তানের ওপর থেকে নজর সরিয়ে এবার চীনের দিকে কড়া নজর দিতে চাইছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। কিন্তু কেন? সম্প্রতি একটি প্রকাশিত আলোচনাপত্রে প্রফেসর অনীত মুখার্জি এবং পরমাণু সুরক্ষা বিশেষজ্ঞ যোগেশ জোশী বলেন, ২০০৫ সাল পর্যন্ত সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারত ও চীনের শক্তি সমান ছিল। কিন্তু সম্প্রতি ভারত- চীন সীমান্তে, বিশেষ করে ডোকলাম সীমান্তে রাস্তা তৈরি, উন্নত সামরিক পরিকাঠামো সহ বেশ কিছু পরিবর্তন করেছে চীন। এই সীমান্তে তৈরি করা হয়েছে হেলিপ্যাড ও সামরিক এয়ারস্ট্রিপও। চীনের এই পদক্ষেপকে আগ্রাসন নীতি হিসেবেই দেখছে ভারত । কারন এই উন্নত পরিকাঠামোর দৌলতে যে কোনও সময়ে কোনও সতর্কতা ছাড়াই ভারতে আক্রমণ করতে পারবে চীন।
আর সেজন্যই, চীন লাগোয়া সীমান্তে ৬টি আকাশ মিসাইল, ভারতীয় বায়ুসেনার আপাচে ও চিনুক হেলিকপ্টার, রাফাল যুদ্ধবিমান মোতায়েন করার কথা ভাবছে ভারত । এছাড়াও অতিরিক্ত এক স্কোয়াড্রন সুখোই সু৩০- এমকেআই মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় সেনা। এছাড়াও প্রয়োজনে ভারত- চীন সীমান্তে আরও সেনা মোতায়েন করতে পারে সেনা। সু৩০- এমকেআই বিমান মিগের তুলনায় অনেকটা উন্নত এবং এর পরিধিও মিগ-২১র তুলনায় অনেকটা বেশী। ভারতীয় বায়ুসেনার আপাচে এবং চিনুক হেলিকপ্টার সীমান্তে রসদ ও সামরিক সামগ্রী নিয়ে যাওয়ার কাজ করবে। এই আলোচনাপত্রে দুই বিশেষজ্ঞ এও জানিয়েছেন যে, ভারতের সামপ্রতিকতম মিসাইল এবং পরমাণু বাহিত সাবমেরিন পাকিস্তানকে লক্ষ্য করে নয় বরং চীনকে মাথায় রেখেই বানানো হচ্ছে। আধুনিকতম অগ্নি মিসাইলের ৬০০০ কিমি পরিধিও চীনকে মাথায় রেখেই বানানো বলে জানিয়েছেন তাঁরা। তবে আলোচনাপত্রে এও বলা হয়েছে যে শুধু সীমান্তে সামরিক শক্তি বাড়িয়েই চীনের বিরুদ্ধে অ্যাডভান্টেজ পাবে না ভারত । সেজন্য প্রয়োজন আমেরিকার সঙ্গে সুসম্পর্ক। কারন অর্থনৈতিক দিকে চীনের থেকে এখনও পিছিয়ে ভারত । সেক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সাম্যতা বজায় রাখতে ভারতের আমেরিকার সাহায্যের প্রয়োজন হবে।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news