সূর্য সরকার:
গাঁজা কারবারিকে ধরতে গিয়ে নাজেহাল হতে হল কলকাতা পুলিশকে। সন্দেহভাজন গাঁজা কারবারিকে পুলিশ ধরতে গেলে, নিজের দুই পোষ্য ডোবারম্যান ও রড হুইলার প্রজাতির কুকুরকে পুলিশের দিকে লেলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। আর তাতেই রীতিমতো নাজেহাল হতে হল পুলিশকে। অপরাধীকে ধরা তো দূর কি বাত, দুই পোষ্যকে সামাল দিতেই পুলিশের ৭ ঘণ্টা সময় লেগে গেল। ঘটনাস্থল ছেড়ে রীতিমতো উল্টোপথে পালাতে হলো। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, গাঁজা কারবারি ঘরে মজুত থাকা গাজা পুড়িয়ে দিয়ে ঘটনাস্থল সেখান থেকে চম্পট দিল। এই ঘটনায় কয়েকজন পুলিশ কর্মী আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি।
ঘটনাটি ঘটেছে, ট্যাংরা থানা এলাকার পুলিন খটিক রোডে। সেখানে একটি চারতলা বাড়ির টপ ফ্লোরে রেড করতে গিয়ে রীতিমতো পোষ্য কুকুরের কামড় খেতে হল খোদ এক পুলিশ কর্তাকে। বুধবার রাতে এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। পরে ডেকে পাঠানো হয় “ডগ এক্সপার্ট”কে। এদিকে, ঘুম পাড়ানি ইঞ্জেকশন দিয়ে কুকুর দুটিকে কাবু করতে পুলিশের সময় লেগে গেল প্রায় ৭ ঘন্টা। এক পুলিশ কর্মীর দুটি হাতই কামড়ে ক্ষত বিক্ষত করে দেয় ডোবারম্যান। গোয়েন্দা কর্তারা দ্রুত ওই বাড়িটি থেকে বাইরে বেড়িয়ে আসেন। অপরদিকে, আহত ওই পুলিশ কর্মী কে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর দেওয়া হয় ডগ স্কোয়াডকে।
এদিকে অবশ্য, গাঁজা আগুনে পুড়িয়ে দিয়ে বাড়ি থেকে পালায় জয়দেব। অপরদিকে, গোটা এলাকা ঘিরে রাখে পুলিশ। কুকুর দুটিকে বাগে আনতে কালঘাম ছুটে যায় ডগ স্কোয়াডের কর্মীদেরও। শেষমেশ প্রায় ৭ ঘন্টার যুদ্ধে ঘুম পাড়ানি ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে কুকুর দুটিকে কাবু করতে সক্ষম হন “ডগ এক্সপার্টরা”
অন্যদিকে, হাফ ছেড়ে বাঁচেন পুলিশ কর্মীরা।
একই সঙ্গে এই ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করা লালবাজার। এদিকে ঘটনার পর পুলিশ জয়দেবের খোঁজে হন্যে হয়ে তল্লাশি শুরু করে। ওই রাতেই শিয়ালদা চত্বর থেকে গ্রেফতার করা হয় বছর ৩১ এর জয়দেব দাসকে। ধৃতের কাছ থেকে ১ কেজি ১০০ গ্রাম চরস পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে তার বাড়ি থেকে ২১ প্যাকেট ৮০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার হয়েছে। জয়দেব এর বিরুদ্ধে এনডিপিএস অ্যাক্টে মামলা দায়ের হয়েছে। একই সঙ্গে ট্যাংরা থানায় জয়দেবের স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধেও একটি মামলা হয়েছে
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news