Breaking News
Home / TRENDING / কোথায় ছিল সত্যজিৎ বিশ্বাসের নিরাপত্তারক্ষী? উঠছে প্রশ্ন, বাড়ছে রহস্য

কোথায় ছিল সত্যজিৎ বিশ্বাসের নিরাপত্তারক্ষী? উঠছে প্রশ্ন, বাড়ছে রহস্য

নীল বণিক

শনিবার ফুলবাড়িতে তৃণমূলের বিধায়ক খুনে উঠে এসেছে একাধিক প্রশ্ন। যেমন, একজন বিধায়কের সঙ্গে সাধারনত ২৪ ঘন্টা একজন করে নিরাপত্তারক্ষী থাকে। শনিবার রাতে সত্যজিৎ বিশ্বাসের সঙ্গে কোনও নিরাপত্তারক্ষী ছিল কিনা সে বিষয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে। একদিকে যেখানে দলীয় সূত্র বলছে শনিবার রাতেও সত্যজিৎ বিশ্বাসের সঙ্গে নিরাপত্তারক্ষী ছিল, অন্যদিকে নদিয়ার পুলিশ সুপার বলছেন, কোনও নিরাপত্তারক্ষী ছিল না তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাসের সঙ্গে। এই দুই বিপরীত তথ্যই অনেক প্রশ্ন তুলছে। যেমন সত্যজিতের ওপর যখন গুলি চলে, তখন তাঁর নিরাপত্তারক্ষীর ভূমিকা কি ছিল? কারন একেবারে সামনে থেকে সত্যজিৎ বিশ্বাসকে গুলি করা হয়েছে। গুলি করে দুস্কৃতিরা চলে যাবার সময় কেন আক্রান্ত তৃণমূল বিধায়কের নিরাপত্তারক্ষী দুস্কৃতিদের একজনকেও ধরতে পারলো না? কেনই বা দুস্কৃতিদের পাল্টা গুলি করে তাদের ধরতে সমর্থ হল না? প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, দুস্কৃতিরা বিধায়ককে গুলি করে একটি বাইকে করে চম্পট দেয়। স্বরস্বতী পূজোর মেলার মধ্যে ফিল্মি কায়দায় গুলি করার পর স্থানীয় মানুষরাও দুস্কৃতিদের কেন ধাওয়া করে নি। সাধারনত এখন গ্যাংওয়ারে দুস্কৃতিরা গুলি ও বোমা ছুড়তে ছুড়তে চম্পট দেয়। যাতে সাধারন মানুষ অাতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করেন। শনিবার রাতে ফুলবাড়িতে তেমন কিছুই হয় নি বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। গুলি করে একেবারে ঠান্ডা মাথায় সেখান থেকে অাততায়ীরা পালিয়ে গেছে। অন্যদদিকে ফুলবাড়ি গ্রামের কোন রাস্তা দিয়ে পালালে একেবারে নিশ্চিন্তে পালানো যাবে তাও দুস্কৃতিরা জানত। কারন সত্যজিৎ বিশ্বাসকে খুন করে দুস্কৃতিরা সোজা চিত্তশালির দিকে গেছে বলে জানিয়েছে প্রত্যক্ষদর্শীরা। সেখান থেকে কুলগাছি হয়ে কৃষ্ণনগর যাওয়া যাবে। অন্যদিকে ভীমপুর হয়ে সোজা মাঝদিয়া, গেদে বাংলাদেশ সীমান্তে নিশ্চিন্তে পৌছান যাবে। তাছাড়া অন্যদিকে হাঁসখালি হয়েও বাংলাদেশ চলে যাওয়া যাবে মাত্র ৪০ মিনিটের মধ্যে। আরেকটি রাস্তা দিয়ে বাদকুল্লা পৌছালেই রেল স্টেশন। সেখান থেকে যে কোনও জায়গায়। আবার হাইওয়ে ধরে তাহেরপুর, শান্তিপুর সহ একাধিক গোপন নিরাপদ জায়গায় ৪০ মিনিটেই পৌছান সম্ভব। তাই দুস্কৃতিরা পালানোর রাস্তাঘাট ভালো করে জেনেই খুন করেছে বলে মত স্থানীয়দের। অন্যদিকে সত্যজিৎ বিশ্বাস স্বরস্বতী পূজোর অনুষ্ঠান শেষ করে মঞ্চের নিচে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলছিলেন। আর সত্যজিৎ বিশ্বাসের নিজের এলাকা হওয়ায় বিধায়ক সবাইকেই চিনতেন। তাহলে কি বিধায়কের চেনা মানুষরাই মঞ্চের নিচে ছিলেন। যা এতটুকু অাঁচ করতে পারেন নি বিধায়ক ও স্থানীয় মানুষ। এইরকম বেশকিছু প্রশ্ন পুরো ফুলবাড়ি খুঁজছে।

Spread the love

Check Also

Big Breaking: হুমায়ুনকে ওয়েসির ‘ফিলার,’ কী উত্তর দিলেন তৃণমূলের বিধায়ক

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুনকে ওয়েসির ফোন! দল তাঁকে শো-কজ করেছে। তিনি সেই শো-কজের উত্তরও দিয়েছেন। তাতেও …

রাহুলের পাইলট প্রোজেক্ট, মুর্শিদাবাদ কংগ্রেসে আধিপত্য হারাতে পারেন অধীর

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে রাহুল গান্ধির নতুন উদ্যোগে মুর্শিদাবাদের কংগ্রেস রাজনীতিতে খর্ব হতে পারে অধীর …

আমি আসছি! নাম না করে শুভেন্দুকে শাসালেন আনিসুর

চ্যানেল হিন্দুস্থান, নিউজ ডেস্ক: নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারিকে শাসালেন আনিসুর রহমান। একদা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *