নীল রায়
কমিশনে বিজেপির নালিশের পর বেজায় চাপে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার কালীঘাটের সাংবাদিক সম্মেলনে বিজেপির প্রতি আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে দেখা গেল মুখ্যমন্ত্রীকে। বোঝা গেল কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের কঠোর মনোভাব তাঁকে ভাবাচ্ছে। এদিন মমতা বলেন, “বিজেপি গিয়ে বলছে সব বুথকে সুপার সেনসিটিভ ঘোষণা করতে হবে। কেন? বাংলায় কী হয়েছে? গোটা দেশে সুপার এমারজেন্সি চলছে। বাংলাকে সুপার সেনসিটিভ করতে বলে বিজেপি বাংলার মানুষকে অপমান করছে।” বিজেপি শাসিত রাজ্য উত্তরপ্রদেশ ও ত্রিপুরায় গেরুয়া প্রতিনিধিরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় বিজয়ী হয়েছিল সেই কথা ও এদিন তুলে ধরেন মমতা। মমতা বলেন, “ত্রিপুরায় পঞ্চায়েত নির্বাচনে ৯৮ শতাংশ আসনে বিজেপি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় জিতেছে। কই তা নিয়ে তো কোনও কথা বলছেন না!” বিজেপি নেতারা কমিশনে গিয়ে বাংলার পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসার কথা তুলে ধরেছিলেন। এ দিন সকালে কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, “বাংলায় পঞ্চায়েত ভোটে কী হয়েছে গোটা দেশ দেখেছে। ১০০ জন মানুষ খুন, ব্যালট পেপারে আগুন, গণতন্ত্রে এর থেকে খারাপ আর কিছু হতে পারে না।” পাল্টা মমতা এ দিন বিকেলে বলেন, “২০১৩ সালে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ২০১৪ সালে ১৩ জন। যাঁদের মৃত্যু হয়েছে তাঁদের মধ্যে ৯৯ শতাংশ তৃণমূলকর্মী। বিজেপি খুন তাঁদের মেরেছে।” উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবি শংকর প্রসাদ ছাড়াও কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গী ও মুকুল রায় এদিন নির্বাচন কমিশনে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি বুথকে স্পর্শকাতর বলে ঘোষণা করার আবেদন জানান। সঙ্গে রাজ্যের প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর আর্জিও রাখেন।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news