Breaking News
Home / TRENDING / আমি যাব না শোভনদাকেও যেতে দেব না, বিজেপি দফতরে ফোন করে ধমক বৈশাখীর

আমি যাব না শোভনদাকেও যেতে দেব না, বিজেপি দফতরে ফোন করে ধমক বৈশাখীর

জয় ঘোষ

বিজেপির সদর দপ্তরে প্রথমবারের জন্য পা দিলেন শোভন- বৈশাখী। আর প্রথম দিনেই বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামলাতে রীতিমত কালঘাম ছুটল রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের।
বিজেপি দপ্তরে প্রথম দিনে বৈশাখী ঝড়ের সাক্ষী থাকল মুরুলীধর সেন লেন। ঘটনার সূত্রপাত, বিজেপির মিডিয়া সেলের সংবাদমাধ্যমের প্রেস আমন্ত্রন পত্রে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের নাম থাকলেও, তাতে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় নাম ছিল না। কিন্তু সেই আমন্ত্রন পত্রে পরে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈশাখীর নাম দেওয়া হয়। এই সময় থেকেই শুরু হয় টান-টান নাটক।

সূত্রের খবর, বৈশাখী ফোন করেন মিডিয়া সেলের ইনচার্জ সপ্তর্ষি চৌধুরীকে। ফোনে বৈশাখী ক্ষোভের সুরে বলেন, “জুতো মেরে গরুদান হচ্ছে?” সঙ্গে জানতে চান, কেন তাঁর নাম আমন্ত্রণ পত্রে দেওয়া হয়নি? তাই তিনি শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে আসতে পারবেন না। এমন কী শোভন চট্টোপাধ্যায়ও যাবেন না, বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন তিনি।

এরপরই বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের কানে এই খবর যায়। দিলীপ ঘোষের নির্দেশে আসরে নামেন বিজেপির সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার। তিনিই ফোনে শোভন- বৈশাখীকে বোঝান। পরে সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার মৌখিক খবর আসে বিজেপি দপ্তরে। এর কিছু পরে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিজেপি দপ্তরে আসা নিয়ে জটিলতা তৈরির খবর চাউর হয়। এমন সময়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ সদর অফিসে এলে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, শোভন-বৈশাখী প্রসঙ্গে। জবাবে শোভন- বৈশাখীকে ভাত-ডালের সঙ্গে তুলনা করে বসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “আমরা জানি যেমন ভাত- ডাল। তেমন শোভন দা আর বৈশাখি।” সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “সম্বর্ধনা তালিকায় বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম দেওয়া উচিত ছিল। আমি শোভন চট্টোপাধ্যায় – বৈশাখি বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুইজনকেই আমন্ত্রন করেছি।”

তবে দিলীপ ঘোষের এমন মন্তব্য যে তাঁর পছন্দ হয়নি তা ভরা সাংবাদিক সম্মেলনে স্পষ্ট জানিয়ে দেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ” ডাল- ভাত নিয়ে যেটা বলেছে। সেটা ঠিক বুঝলাম না। শোভনদা ভাত হলে আমি ডালের মতো মিশে যাব! সেই ধারণা ভুল। আর শোভনদাকে ডাল বললে সেই ধারণাও ভুল। আমার সেই ক্ষমতা নেই যে শোভনদাকে আমি বহন করে নিয়ে যাব।” সাংবাদিক বৈঠক শেষে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বিধায়কদের নিয়ে বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠকে যোগ দেন শোভন। বৈঠকে বৈশাখী ঢুকতে গেলে তাঁকে পাশের ঘরে বসতে বলা হয়। এরপর বিজেপি পার্টি অফিসে না বসে রাস্তায় নিজের গাড়িতে বসেন বৈশাখী। শোভন চট্টোপাধ্যায় বৈঠক শেষ করে বের হলে, গাড়ি নিয়ে রওনা দেন দু’জনে। এমন ঘটনাবহুল দিনে বৈশাখী ঝড়ের প্রথম আভাস পেল মুরলীধর সেন লেন।
আমি যাব না শোভনদাকেও যেতে দেব না, বিজেপি দফতরে ফোন করে ধমক বৈশাখী

Spread the love

Check Also

Big Breaking: হুমায়ুনকে ওয়েসির ‘ফিলার,’ কী উত্তর দিলেন তৃণমূলের বিধায়ক

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুনকে ওয়েসির ফোন! দল তাঁকে শো-কজ করেছে। তিনি সেই শো-কজের উত্তরও দিয়েছেন। তাতেও …

রাহুলের পাইলট প্রোজেক্ট, মুর্শিদাবাদ কংগ্রেসে আধিপত্য হারাতে পারেন অধীর

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে রাহুল গান্ধির নতুন উদ্যোগে মুর্শিদাবাদের কংগ্রেস রাজনীতিতে খর্ব হতে পারে অধীর …

আমি আসছি! নাম না করে শুভেন্দুকে শাসালেন আনিসুর

চ্যানেল হিন্দুস্থান, নিউজ ডেস্ক: নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারিকে শাসালেন আনিসুর রহমান। একদা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *