চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
উপাচার্য পরিষদের বৈঠক থেকে উঠে আসা পরামর্শ উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে ব্যবহার করবে শিক্ষা দফতর (Education Department)। শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে তা আরও একবার স্পষ্ট করে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। করোনা ভাইরাসের (Coronavirus) সংক্রমণের পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে লকডাউন পরিস্থিতি। প্রায় দুই মাস যাবত বন্ধ রয়েছে স্কুল-কলেজে পঠন-পাঠন। উচ্চমাধ্যমিক সহ অন্যান্য সেমিস্টারের পরীক্ষা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে এদিন রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা একযোগে বৈঠকে বসেছেন। এ নিয়ে এদিন উপাচার্য পরিষদ বৈঠকে বসেছে বলেও জানান তিনি।
বেহালা পশ্চিমের বিধায়ক কার্যালয়ে বসে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, “উপাচার্য পরিষদ আজ আলোচনায় বসেছে। বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত যে সমস্ত কলেজ গুলি রয়েছে। বা যে সমস্ত পরীক্ষাগুলি বাকি রয়েছে, তা কি করে নেওয়া সম্ভব। এ বিষয়ে সবার সঙ্গে আমি কথা বলতে চাই। উপাচার্য পরিষদ আজকের বৈঠকের পর আমাকে যে পরামর্শ দেবে। পরামর্শ নিয়ে উচ্চ শিক্ষা দপ্তরের সচিব ও আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করব।” তিনি আরও বলেছেন, “এই সমস্ত আলোচনার পরেই আমি উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেব। উপাচার্য পরিষদের প্রস্তাব শিক্ষা দফতরের কাছে এলে সেই সব বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করে সবকিছুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
একইসঙ্গে আমফান ঘূর্ণিঝড়ে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরের গাছ নষ্ট হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে নতুন করে গাছ লাগানোর আবেদন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। পার্থ বলেছেন, “আমরা যা খবর পেয়েছি তাতে আমফান ঘূর্ণিঝড়ে প্রায় ৪০ কোটি টাকার মতো ক্ষয়ক্ষতি হয়ে গিয়েছে। আমরা একদিকে যেমন স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে ভাবছি। তেমনি আমরা প্রাথমিক শিক্ষা ও স্কুল শিক্ষা নিয়ে ভাবছি।” শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, আমফান ঘূর্ণিঝড়ের (Amphan Cyclone Strom) দাপটে জেলায় জেলায় যে সমস্ত স্কুল-কলেজে গাছ পড়ে গিয়েছে। সেই গাছগুলিকে বাঁচানোর চেষ্টা করা হবে। যদি কাজগুলো না যায়, তবে একটি পড়ে যাওয়া গাছের বদলে পাঁচটি করে গাছ লাগাতে হবে।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news