চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
চেন্নাইয়ের ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্সের (Chennai Institute Of Secince) গবেষকদের তৈরি একটি মডেলের ওপর ভিত্তি করে সপ্তাহে দু’দিন করে লকডাউন করা হচ্ছে বলে মনে করেছেন বিশিষ্ট চিকিৎসক শ্যামাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় (Dr. shyamasish Banerjee)। কারণ এই সংস্থার গবেষকরা একটি মডেল তৈরি করেছেন, যেখানে বলা হচ্ছে যদি সপ্তাহে দুদিন করে লকডাউন (Lockdown) করা যায় তাহলে করোনা ভাইরাসের (Coronavirus) সংক্রমণ রোধ করা যাবে। সেই হিসেবে সপ্তাহে দুদিন করে লকডাউন করা হচ্ছে । এর পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, বেশিরভাগ মানুষ ভয় পেয়ে টেস্ট করছেন না। কিন্তু তাদের সর্দি-কাশি রয়েছে। অন্যদিকে তারা নিজেরা ‘সেলফ কোয়ারেন্টাইন’-এ (Self Corentaine) থাকছেন না । সংক্রমিত অবস্থায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন সেখান থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর বিষয়টি অনেকটাই জোরালো হচ্ছে। তাই তিনি জানিয়েছেন, মানুষ নিজে থেকে সতর্ক না হলে সরকারের পক্ষে কোনও কিছু করা সম্ভব নয়।
সাধারণ মানুষের সচেতনতার অভাবেই সংক্রমণ যেখানে বাড়ছে সেসব জায়গাগুলিকে হটস্পট করে কনটেন্টমেনট জোনে পরিণত করা হচ্ছে । তিনি বলেছেন “এই সময় প্রতিটি মানুষকে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে এবং নিজেদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতেই হবে। সেইসঙ্গে এই সময়ে কিছু সিজন চেঞ্জের জ্বর দেখা যায়।যেমন এই সময়ে ইনফ্লুয়েঞ্জা হয় । তাই সেরকম কিছু হলে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে আলাদা করে রাখতে হবে।” তাঁর কথায়, প্রয়োজন হলে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলতে হবে। যদি ডাক্তার কোভিড টেস্টের পরামর্শ দেন, তাহলে পরীক্ষা করানো বাধ্যতামূলক। তার প্রত্যেকটি ক্ষেত্রেই সাধারণ মানুষকে নিজে থেকে আগে এগিয়ে আসতে হবে। তারপরেই স্বাস্থ্য দপ্তর, রাজ্য প্রশাসন, সরকার সবাই সহযোগিতামূলক পদক্ষেপ নিতে পারবে। কিন্তু সাধারণ মানুষ যদি নিজে থেকে সতর্ক না হোন তাহলে কারোর কিছু করার নেই বলে মনে করছেন শ্যামাশিস বন্দোপাধ্যায়।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news