নীল রায়।
ভোররাতে মহারাষ্ট্রে (Maharashtra) বিজেপি সরকার গঠনের পর শোরগোল পড়ে গিয়েছে জাতীয় রাজনৈতিক মহলে। এমন পরিস্থিতিতে কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরু হওয়ায় তৃণমূলের বেশিরভাগ সাংসদ দিল্লিতে রয়েছেন। দিল্লিতে রয়েছেন তৃণমূলের জাতীয় মুখপাত্র তথা রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও ব্রায়েন (Derek O Brien)। এ প্রসঙ্গে তিনি মৌনব্রত ধারণ করেছেন। এ প্রসঙ্গে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি।
দেবেন্দ্র ফড়নবীস (Debendra Fadnabish) ফের একবার মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার দিনে জোর ধাক্কা খেয়েছেন মারাঠা স্ট্রংম্যান শরদ পাওয়ার (Sharad Power) সহ শিবসেনা সভাপতি উদ্ভব ঠাকরে ও কংগ্রেস হাইকমান্ড। এমনিতে আঞ্চলিক দলগুলো ধাক্কা খেলে টুইট করে বিজেপিকে আগাপাশতলা আক্রমণ করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। কিন্তু এদিন তাঁর কোন টুইট বার্তা প্রকাশ পায়নি। অথচ উদ্ভব ঠাকরের (Uddhvab Thakrey) সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্ক যথেষ্ট ভালো বলেই জেনে এসেছে জাতীয় রাজনীতির কারবারীরা। ২০১৬ সালে নোটবন্দীর সময় মোদী সরকারের শরিক হয়েও মমতার সঙ্গে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের কাছে অভিযোগ জানাতে গিয়েছিল শিবসেনা (Shivsena)। তেমন এক আঞ্চলিক রাজনৈতিক শক্তির দুঃখের দিনে কেন তৃণমূল সুপ্রিমো কেন সমবেদনা জানালেন না, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন!
রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, বিজেপির এমন আগ্রাসী রাজনীতি দেখে কি খানিকটা চমকে গিয়েছেন মমতা? নাকি জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপট বুঝেই গেরুয়া শিবির প্রসঙ্গে খানিকটা মৌন থাকতে চাইছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী? লোকসভা ভোটের আগে তৃণমূল নেত্রী উঠতে-বসতে অমিত শাহ নরেন্দ্র মোদির মুন্ডুপাত করতে দেখা যেত। তাঁর দলের এমন নিশ্চুপ অবস্থান তাই সংশয় তৈরি করেছে জাতীয় রাজনীতির মানচিত্রে।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news