চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
তাঁকে নিয়ে দলে হাজারো ফিসফাস। সেই নেতাই কিনা শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এমার্জেন্সি তহবিলে এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বড় অঙ্কের টাকা দিলেন। তিনি রাজ্যের পরিবহণ ও সেচমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।কন্টাই সমবায় ব্যাঙ্ক, বিদ্যাসাগর সেন্ট্রাল সমবায় ব্যাঙ্ক এবং কন্টাই কার্ড ব্যাঙ্ক থেকে ৫০ লক্ষ করে টাকা দিলেন শুভেন্দু। এছাড়াও নিজের বিধায়ক ও মন্ত্রী হিসেবে যে বেতন পান সেখান থেকেও ১০ লক্ষ টাকা দিলেন করোনা ইমার্জেন্সি রিলিফ ফান্ডে। মোট এককোটি ৬০ লক্ষ টাকা দিয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। এই তিনটি ব্যাঙ্কেরই চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন শুভেন্দু।
প্রসঙ্গত, বুধবার মুখ্যমন্ত্রীর করোনা ভাইরাসের (Cooronavirus) মোকাবিলায় এমার্জেন্সি রিলিফ ফান্ডে এক কোটি টাকা দেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের (TMC) সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। ওইদিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “রাজ্যের তরফে যে ইমারজেন্সি রিলিফ ফান্ড তৈরি করা হয়েছে, তাতে প্রথমেই ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। কিন্তু সেটাও যথেষ্ট নয়। আমাদের কেন্দ্র থেকে কিছুই দিচ্ছে না।” এ খবর জানা মাত্রই, এক কোটি টাকা সাহায্য দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল যুব কংগ্রেস। সংগঠনের পক্ষ থেকে এক কোটি টাকার একটি চেক পাঠানো হয় নবান্নে। বৃহস্পতিবার তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় নিজের বেতন থেকে দু’লক্ষ টাকা দিয়েছেন। কিন্তু, শুভেন্দু অধিকারী সবাইকে টপকে এক কোটি ৪০ লক্ষ টাকা দিলেন।
বাংলার রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন, ১ মার্চ প্রাক্তন বিজেপি (BJP) সভাপতি অমিত শাহ (Amit Shah) শহীদ মিনারে করে যাওয়া একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুভেন্দুকে নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে তৃণমূলের অন্দরে। অমিত শাহ বলেছিলেন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী কোনও শাহজাদা হবেন না। এই মাটি থেকে উঠে আসা কোন ব্যক্তি হবেন পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী।” তারপর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে গুঞ্জন শুরু হয়, তবে কি অমিত শাহের সেই মাটি থেকে উঠে আসা নেতা শুভেন্দু অধিকারী ? সেই প্রশ্নের উত্তর এখনো আসেনি। কিন্তু জল্পনা চলছেই। তারি মাঝে মুখ্যমন্ত্রী এমার্জেন্সি ফান্ডে শুভেন্দুর এক কোটি ৪০ লক্ষ টাকা দেওয়া খুব তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে বাংলা রাজনৈতিক মহল।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news