Breaking News
Home / TRENDING / বছরে পাঁচ মাস জলের তলায়, কে খোঁজ নেয় সুন্দরবনের মহবত নগরের!  

বছরে পাঁচ মাস জলের তলায়, কে খোঁজ নেয় সুন্দরবনের মহবত নগরের!  

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ

রায়দিঘিঃ অতি বৃষ্টি বা বন্যা না হলেও দক্ষিণ ২৪ পরগণার সুন্দরবনের রায়দিঘি ব্লকের নন্দকুমারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মহবত নগর গ্রামটি বছরে পাঁচ মাসের বেশি সময় থাকে জলের তলায়। গ্রামের তিনদিক নদী বেষ্টিত। এদিকে জল নিকাশি ব্যবস্থা না থাকায় এই দুর্ভোগ পোহাতে হয় গ্রামের প্রায় আশিটি পরিবারকে। এ বিষয়ে প্রশাসনের সকল স্তরে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি।

ভোট এলেই এই গ্রামে নেতারা এসে জল নিকাশির প্রতিশ্রুতি দিয়ে যান, কিন্তু ভোট চলে গেলে যে কে সেই। দীর্ঘ পনেরো বছর জল-যন্ত্রণায় ভুগছেন গোটা গ্রামের মানুষ। অভিযোগ, এলাকায় একের পর এক মেছোভেড়ি তৈরির ফলে বন্ধ হয়েছে বহু জল বেরোনোর পথ। এ বিষয়ে গ্রামের মানুষজন প্রশাসনের সকল স্তরে জানিয়েছেন। কিন্তু কাজের কাজ হয়নি।

প্রতি বছর বর্ষার শুরু থেকেই জল জমতে থাকে এই মহবত নগর গ্রামে। বর্ষাকাল চলে যাওয়ার পরও প্রায় দুমাস জলের মধ্যে বসবাস করতে হয় তাদের। বাড়ির উঠান থেকে শুরু করে রান্নাঘর, কোথাও শোয়ার ঘরে পর্যন্ত জল ঢুকে থাকে মাসের পর মাস। জমা জলে একদিকে যেমন সাপ, পোকামাকড় ও মশার উৎপাত বাড়ে তেমনি অন্যদিকে বিভিন্ন ধরনের জলবাহিত রোগের প্রকোপে বছরের অর্ধেকদিন নানা অসুস্থতায় ভুগতে হয় গ্রামের সাধারণ মানুষকে। সব মিলিয়ে বছরে পাঁচ মাস এই গ্রামের মানুষ কার্যত নরক যন্ত্রণা ভোগ করেন। যদিও এলাকার মানুষ চায় যে কোনও উপায়ে এই জলযন্ত্রণা থেকে মুক্তি। কিন্তু কিভাবে সেই মুক্তি হবে তা জানেন না কেউই।

Spread the love

Check Also

Big Breaking: হুমায়ুনকে ওয়েসির ‘ফিলার,’ কী উত্তর দিলেন তৃণমূলের বিধায়ক

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুনকে ওয়েসির ফোন! দল তাঁকে শো-কজ করেছে। তিনি সেই শো-কজের উত্তরও দিয়েছেন। তাতেও …

রাহুলের পাইলট প্রোজেক্ট, মুর্শিদাবাদ কংগ্রেসে আধিপত্য হারাতে পারেন অধীর

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে রাহুল গান্ধির নতুন উদ্যোগে মুর্শিদাবাদের কংগ্রেস রাজনীতিতে খর্ব হতে পারে অধীর …

আমি আসছি! নাম না করে শুভেন্দুকে শাসালেন আনিসুর

চ্যানেল হিন্দুস্থান, নিউজ ডেস্ক: নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারিকে শাসালেন আনিসুর রহমান। একদা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *