দেবক বন্দ্যোপাধ্যায়
:
পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ‘তৎকাল তৃণমূল”-এর তত্ত্ব দলের একটি পুরোন সমস্যাকে আবার সামনে এনে দিয়েছে। একই সঙ্গে তুলেছে এমন একটা প্রশ্ন যা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জন্য মোটেই স্বস্তিকর নয়।
দোলা সেন, পূর্ণেন্দু বসুদের যখন দলে গুরুত্ব বাড়ছে, সেই ২০০৬-৭ সাল থেকে সৌগত রায় সরব হয়েছেন এই বলে যে, দলে যোগদানের সময়ের নিরিখে গুরুত্ব নির্ধারিত হোক।
সৌগতর কথা কথা হয়েই রয়ে গেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল চলেছে তাঁর নিজস্ব নিয়মে।
আগে গেলে বাঘে খায় আর পরে গেলে সোনা পায়– এই আপ্তবাক্যটি শুরু থেকেই হয়ে উঠেছে দলের অলিখিত দস্তুর।
কালের নিয়মে সৌগত এই সব বলা বন্ধ করে দিয়েছেন। তবে তাঁর মোবাইলের কলার টিউনটি আজও একই আছে। ফোন করলেই বেজে উঠবে রবি ঠাকুরের গান, ‘আমার সকল নিয়ে বসে আছি সর্বনাশের আশায়”।
অনেকদিন পর এই নিয়ে মুখ খুলেছেন পার্থ। দলের নতুন-পুরোন সবাই বলছেন, পার্থ ঠিক কথা বলেছেন। তৎকালই বটে।
প্রশ্ন উঠছে, তৎকাল টিকিট কাটলে ট্রেনে সিট কনফার্ম হয়। পার্থ বলেছেন তৃণমূলের তৎকালরা ‘পদ’ কনফার্ম করে আসেন। তাঁদের ওপর নজর রাখতেও বলেছেন পার্থ। আর এখানেই উঠে গেছে মোক্ষম প্রশ্নটি। নিজের পদ কনফার্ম করে তৃণমূলের আসরে নামার সবচেয়ে বড় উদাহরণ তো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যাঁর আগমনের জন্য দলের একটি নতুন ‘উইং’ পর্যন্ত খুলে ফেলা হল, যার নাম যুবা। তারপর যুবা-যুব এক হয়ে গেল। সঙ্গত কোনও কারণ ছাড়াই সরে যেতে হল শুভেন্দুকে।
পার্থর তৎকাল তত্ত্ব কী ঝি কে শাসন করে বৌকে শিক্ষা দেওয়ার নিমিত্ত?
সম্ভবত না। অনেকে বলছেন দলে অত্যন্ত নিয়মনিষ্ঠ পার্থ। তিনি কখনওই নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করবেন না। তিনি আসলে ঝিকেই মেরেছেন। যদি বৌ-এর লেগে থাকে তবে তা নেহাতই দুর্ঘটনা ।
লাইক শেয়ার ও মন্তব্য করুন
বিভিন্ন বিষয়ে ভিডিয়ো পেতে চ্যানেল হিন্দুস্তানের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন
https://www.youtube.com/channelhindustan
https://www.facebook.com/channelhindustan
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news