নিজস্ব সংবাদদাতা, সোনারপুরঃ
রবিবার দুপুরে সোনারপুর থানার গোবিন্দপুরের হেদের পাড় এলাকায় রণজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাজী কারখানায় বিধ্বংসী আগুন লাগে। ঘটনায় দশজনের বেশী গুরুতর জখম হন। আহতদের প্রথমে স্থানীয় বারুইপুর মহকুমা হাসপাতাল ও পড়ে কলকাতার চিত্তরঞ্জন ন্যাশানাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দেবাশিস সরদার নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়। দেবাশিস সরদার নামের ঐ যুবক এই বাজী কারখানায় কাজ করতেন। এই ঘটনার পর নিহতের বাড়িতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
সোনারপুরে অবৈধ বাজি কারখানায় আগুনে ১জনের মৃত্যু হয়। আহত ১০জন । এদিকে, রবিবারের ঘটনার পর এলাকায় এসে সাধারন মানুষের রোষের মুখে পড়েছিলেন পুলিশ কর্মীরা। লোকালয়ের মধ্যে কিভাবে এই বাজী কারখানা চলছিল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন এলাকার মানুষজন। ঘটনার পর দমকল আসতে দেরী করায় ও ক্ষোভ উগড়ে দেন এলাকার সাধারণ মানুষজন। সেই ঘটনার পর বিশাল পুলিশ বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দেয়। এদিনও ঘটনাস্থলটি ঘিরে রাখা হয়েছে। পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে ঐ অভিশপ্ত বাজি কারখানার সামনে। ঘটনার পর এলাকার মানুষজন দাবী করেছিলেন বাজী কারখানা লাগোয়া পুকুরে অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঝাঁপ দিয়েছেন অনেক কর্মী। ঘটনার পর রবিবার রাতেই কলকাতা পুলিশের ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট টিমের ডুবুড়িরা এলাকায় এসে ঐ পুকুরে তল্লাশি চালান, কিন্তু সেখানে কাউকে খুঁজে পাওয়া যায় নি। ঘটনার পর এখনও আতঙ্কিত এলাকার সাধারণ মানুষজন। পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে বাজী কারখানাটির বৈধ অনুমতি পত্র ছিল, কিন্তু সাধারণ মানুষের দাবী এইরকম ঘন জনবসতি পূর্ণ এলাকায় কিভাবে বাজী তৈরির কারখানার অনুমতি দিল পুলিশ?। ঘটনার পর থেকেই পলাতক এই বাজী কারখানার মালিক, ঘটনায় মূল অভিযুক্ত রণজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে টুবাই। তবে রবিবার বিকেলেই পুলিশ অভিযুক্তের বাবা তরুন বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। এই ঘটনায় নিহত দেবাশিষের বাড়িতে পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news