চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
করোনা মোকাবিলায় ট্রাম্পের ‘গেমচেঞ্জার’ পালটে দিতে পারে সিঙ্কোনার ভবিষ্যৎ। হাইড্রোক্লোরোকুইনিন নিয়ে ট্রাম্পের পদক্ষেপ এবং এই ওষুধকেই করোনার চিকিৎসার হাতিয়ার বলে ধরে নেওয়া, ভারতকে এই ওষুধ পাঠানোর জবরদস্তি থেকে ওষুধ পেয়ে হঠাৎ ইউ টার্ন ঘুরে যাওয়া এসবই এখন বহুল চর্চিত। কিন্তু যে ওষুধ নিয়ে এত কাণ্ড সেই গাছ এতদিন অনেকটাই অবহেলিত ছিল। ট্রাম্পের ম্যাজিক ওষুধ পাল্টে দিল সেই গাছের অনেক কিছুই। কী করে ? বলা যাক সে কথাই। হিমালয়ের পাদদেশে ২৮ কিলোমিটার জুড়ে চাষ হয় সিঙ্কোনার।
হাইড্রোক্লোরোকুইনিন (Hydrochloroquine) পাওয়া যায় এই সিঙ্কোনা থেকেই। এতদিন এই গাছ নেই কারো তেমন মাথাব্যথা ছিল না। কিন্তু ট্রাম্পের এই ওষুধ নিয়ে মাতমাতিতে এখন মজুতের ধুম ফেলে দিয়েছে। অসুবিধা আছে অন্য জায়গাতেও। দার্জিলিং এর যে সব জায়গায় এর চাষ হয় সেখানকার এক কর্মী জানিয়েছেন সিঙ্কোনার ছাল থেকে যে কুইনাইন পাওয়া যায় এর সাইড এফেক্ট কম। চাষও হয় কম। ফলে অনেক সময় অন্য জিনিসের ওপর নির্ভর করতে হয়। ফলে চাহিদা থাকলেও ক্লোরোকুইনিন জাতীয় ওষুধের বিপুল জোগান সম্ভব নয়। এখনও পর্যন্ত এই ব্যাপারে কোনও নিশ্চয়তা নেই যে এই ওষুধ এই রোগে কাজ করে। কিন্তু তাও এই ঘটনার পর চাহিদা বেড়েছে হুহু করে।
সিঙ্কোনা (Sinkona) অ্যান্ড আদার মেডিসিনাল প্ল্যান্ট এর ডিরেক্টর স্যামুয়েল রাই জানিয়েছেন যে এই ঘটনার পর থেকে মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গ থেকে এখন নিয়মিত এই ওষুধের খোঁজখবর চেয়ে ফোন আসছে। এই গাছের চাষে যুক্ত থাকে ৫০০০ল লোক এর মধ্যে ৫০০ জন সরকারি কর্মচারি। এর ছাল কিলোগ্রাম প্রতি ১১১ টাকা দরে বিক্রি হয়।কিন্তু তা পাওয়া যায় নভেম্বর নাগাদ। এখনই যদি এর চাহিদা এতটা থাকে তাহলে তা যোগান কীভাবে দেওয়া হবে তা নিয়ে চিন্তায় সবাই। সেই ক্ষেত্রে চাষ করা যেতে পারে নতুন পদ্ধতিতে। কী করা যাবে কীভাবেই বা এই গাছের ছাল পাওয়া যাবে আরও বেশি করে তা নিয়ে বিশদে আলোচনা শুরু করে দিয়েছেন গবেষকরা।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news