চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
প্রেমে পড়া। প্রেম নিবেদন। ফুলের তোড়া ও চকলেটের মোড়ক। তারপর ফেসবুকে ‘এনগেজড’ স্ট্যাটাস আপডেট। এই পর্যন্ত মসৃন পথ। তারপরেই পাওয়া-না পাওয়া, সম্মান-অসম্মান, মান-অভিমান এবং ফেসবুকে স্ট্যাটাস বদলে ‘কমপ্লিকেটেড!’ প্রেমের খেলা কে বুঝিতে পারে?
শুধু প্রেম নয়। রাজনীতিও তথৈবচ। এই তো কয়েকদিন আগে, লকডাউন তখনও শুরু হয় নি। পদ্ম বন্ধনে বাঁধা পড়লেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া (Joytiraditya Sindhiya)। আর এই আনলক ওয়ানের সময়কালেই নাকি সেই বাঁধনের কাছিতে পড়েছে টান! মাধব-তনয়ের প্রাণে নাকি ঘরে ফেরার গান! তাঁর দুই অনুগামী ইতিমধ্যেই ঘরমুখী বলে খবর। মধ্যপ্রদেশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপনির্বাচনের আগে কংগ্রেস ছেড়ে বেরিয়ে আসা সিন্ধিয়া ও তাঁর ২২ অনুগামী বিধায়ক কি আবার কংগ্রেসের (Congress) পথে? ভোপালের আকাশে এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এই প্রশ্ন। রাহুল-প্রিয়ঙ্কার বন্ধুত্বের মায়া ছিন্ন করে মোদি-শাহের (Modi Shah) সংসারে গিয়ে ওঠা জ্যোতিরাদিত্য কি তাঁর ‘ভুল’ বুঝতে পারলেন? নাকি অন্যকিছু? নিজের টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে নিজের বিজেপি পরিচয় সরিয়ে নিয়ে এইসব প্রশ্ন আরও জোরালো করেছেন তিনি।
সিন্ধিয়া দল ছাড়ার সময় রাহুল গাঁধী (Rahul Gandhi) বলেছিলেন জ্যোতিরাদিত্যের জন্য তাঁর দরজা সব সময় খোলা। এখন প্রশ্ন সেই খোলা দরজা দিয়ে সিন্ধিয়া কি আবার হাসতে হাসতে প্রবেশ করবেন তাঁর বাল্যবন্ধুর ঘরে নাকি সিন্ধিয়ার এই সব কার্যকলাপ নিছকই চাপের খেলা? সূত্রের মতে, সিন্ধিয়া চাইছেন শিবরাজের মন্ত্রীসভার সিংহভাগ ভরে থাকুক তাঁর অনুগামী দিয়ে। বিজেপির অবস্থান, বুকে নেব কিন্তু মাথায় তুলব না। বর্ষীয়ান রাজনীতিক, অভিজ্ঞ মুখ্যমন্ত্রী চাইছেন নতুন আর পুরনোদের সমন্বয় সাধিত হোক তাঁর মন্ত্রীসভায়।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news