Breaking News
Home / TRENDING / বাংলার বিপদে কেউ নেই, শাসক ঘনিষ্ঠ এমন প্রচারে জল, উদ্ধারকার্যে রাজ্যের সঙ্গে কেন্দ্র

বাংলার বিপদে কেউ নেই, শাসক ঘনিষ্ঠ এমন প্রচারে জল, উদ্ধারকার্যে রাজ্যের সঙ্গে কেন্দ্র

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো:
এখন রাজনীতির সময় নয় : কথাটি শুনতে ভাল। তবে রাজনীতির অঙ্গনে যাঁরা বিবিধ ফুল ফোটান তাঁরা জানেন এই বাক্যটি আদতে শতকরা একশ ভাগ রাজনৈতিক বাক্য।
ঝড়ের ভয়াবহতা চলাকালীনই এ হেন ‘অরাজনৈতিক’ রাজনীতি শুরু হয়ে গেছে। আর এটাই দস্তুর। রাজনীতির কুশীলবরা রাজনীতি করবেন আর এটাই তাঁদের কাজ। যাঁরা রাজনীতি করবেন না বলে ধুয়ো তোলেন তাঁরা সম্ভবত দলবাজি আর রাজনীতিকে সমার্থক মনে করেন।

রাজ্যের এই দুর্দশার মধ্যে থেকে একটি এখনই বেমানান প্রশ্ন উঠে আসছে। বেয়াড়া প্রশ্নটি হল কোনও কোনও মহল কি এখন থেকেই একুশ মাথায় রেখে বাংলার বিপদে কেউ নেই জাতিয় প্রচার শুরু করে দিয়েছে? মোদ্দা কথা, দিদি রাত জাগছেন কিন্তু মোদি কই? প্রচারের মূল সুরটি হল এই।

যদিও ঝড়ের পূর্বাভাসের সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মুখ্যমন্ত্রী কে ফোন করে সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন। তবু প্রচার চলতে থাকে রাজ্যের বিপদে মোদি কই? প্রধানমন্ত্রী চুপ কেন?
তবে শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর জোড়া টুইট এই প্রচারে জল ঢেলেছে।

বৃহস্পতিবার জোড়া টুইট করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা (Narendra Modi) করলেন, “সারা দেশ আজ পশ্চিমবঙ্গের পাশে। ওই রাজ্যকে সবরকম সাহায্য করা হবে।” প্রথম টুইটে প্রধানমন্ত্রী, লেখেন, “পশ্চিমবঙ্গের অনেক ছবি দেখলাম। সাইক্লোন আমফান ভয়ংকর ক্ষতি করেছে। এখন খুব কঠিন সময়। সারা দেশ বাংলাকে সংহতি জানাচ্ছে। ওই রাজ্যের মানুষের কল্যাণের জন্য প্রার্থনা করছি। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করছি যাতে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসে।”

অপর একটি টুইটে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিপর্যস্ত এলাকায় ন্যাশনাল ডিজাস্টার রিলিফ ফোর্স কাজ করছে। প্রশাসনের শীর্ষস্থানীয় অফিসাররা পরিস্থিতির ওপরে নজর রাখছেন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে কেন্দ্রীয় সরকার।” বুধবার রাতে আমফান ঘূর্ণিঝড়ের ধাক্কার পরেই প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় একরাশ হতাশা প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তিনি বলেছিলেন, “এলাকার পর এলাকা ধ্বংস। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। প্রশাসন সাধারণ মানুষের সাহায্যে ৫ লক্ষ মানুষকে সরাতে পেরেছি।

১৭৩৭ সালে শেষবার এমন ভয়ঙ্কর ঝড় হয়েছিল। ওয়ার রুমে বসে আছি আমি। নবান্ন আমার অফিস কাঁপছে। একটা কঠিন পরিস্থিতির যুদ্ধকালীন মোকাবিলা করলাম। মাঝরাত অবধি হয়ত ঝঞ্ঝা চলবে।” তিনি আরও জানিয়েছিলেন, “নন্দীগ্রাম, রামনগর প্রভৃতি এলাকায় বড় ক্ষতি। দক্ষিণ ও উত্তর ২৪ পরগণা প্রায় ধ্বংস ঝড়ের দাপটে। গাছ পড়ে মানুষ মারা গেছেন। মোট ক্ষতি এখনও গণনা করা যায়নি। অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ নেই, জল নেই। পাথরপ্রতিমা, নামখানা, কাকদ্বীপ, কুলতলি, বারুইপুর, সোনারপুর সব জায়গায় ধ্বংসের ছবি। রাজারহাট, হাসনাবাদ, সন্দেশখালি, গোসাবা, হাবড়া সব জায়গাই বিপর্যস্ত।”

Spread the love

Check Also

বিপ্লবী কবি ওয়ারাওয়ারা রাওয়ের মুক্তির আবেদন নিয়ে শাহের মন্ত্রকের দ্বারস্থ তাঁর দুই কন্যা

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো:   অনল আর পবণ। দক্ষিণী উচ্চারণে অনলা আর পবণা। কবি ওয়ারাওয়ারা রাওয়ের …

নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসব পশ্চিমবঙ্গে, বললেন অমিত শাহ

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো। “নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ ক্ষমতায় আসব আমরা।” শনিবার সন্ধ্যায় এক জাতীয় সংবাদমাধ্যমে …

যুদ্ধ নয়, লজ্জা ঢাকতেই লড়াই লড়াই খেলা চিনের, মত বিশেষজ্ঞদের

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো: ভারত-চীন সীমান্তে উত্তেজনার পারদ ক্রমশ চড়ছে। পূর্ব লাদাখে প্রায় ৪ সপ্তাহ ধরে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!