ওয়েব ডেস্ক:
অরাজক পশ্চিমবঙ্গ। আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বিগ্ন রাজ্যপালের ডাকা সর্বদলীয় বৈঠকে তৃণমূলের অবস্থান জানাতে পারলেন না পার্থ চট্টোপাধ্যায়। আর পাঁচটা বিষয়ের মতোই এক্ষেত্রেও শিক্ষামন্ত্রী জানান, ‘দলের’ সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত জানাবেন।
প্রসঙ্গত, এদিন রাজ্যের প্রধান ৪ দলের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী। রাজ্যের সামগ্রিক অস্থিরতা নিয়েই ছিল আলোচনা। বৃহস্পতিবারের বৈঠকে বাম দলের তরফে উপস্থিত ছিলেন মহম্মদ সেলিম, কংগ্রেসের তরফে ছিলেন সোমেন মিত্র, বিজেপির পক্ষে ছিলেন জয়প্রকাশ মজুমদার এবং শাসক দলের প্রতিনিধি হিসেবে ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, সব দলের প্রতিনিধিদের কাছেই রাজ্যপাল জানতে চান জানতে কীভাবে রাজ্যে শান্তি ফেরানো যায়। এর উত্তরে প্রত্যেকেই নিজেদের অবস্থান জানান। মহম্মদ সেলিম বলেন, ২০১১ সালে পালাবদলের পর থেকে রাজভবনে কোনও সর্বদল বৈঠক হয়নি। এই মুহূর্তে রাজ্যে অরাজক অবস্থা তৈরি হওয়ার কারণে সর্বদল বৈঠক ডাকা হল। আগেই এই সব বিষয় নিয়ে ভাবা উচিত ছিল। অন্যদিকে সোমেন মিত্র বলেন, রাজ্য এবং কেন্দ্রের শাসকদল দলের লড়াইয়ে বাংলায় অশান্তি ছড়াচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ‘কেন্দ্র এবং রাজ্যের দুই শাসক দল বিজেপি এবং তৃণমূল নিজেদের মধ্যে লড়াই করছে। এখানে কংগ্রেসের কী করার আছে?’ দলের শীর্ষ নেতৃত্ব নিজেদের কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করলেই সব ঠিক হয়ে যাবে বলে জানান সোমেন। লোকসভা ভোটের পর থেকেই রাজ্যে এই অরাজক অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার। তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজ্য সরকার এবং রাজ্যের শাসক দলের হস্তক্ষেপ জরুরি।

সূত্রের খবর, সকল বিরোধী রাজনৈতিক দল রাজ্যের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে নিজেদের মন্তব্য জানালেও এই বিষয়ে রাজ্যের শাসক দলের অবস্থান জানাতে পারেননি পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ‘দলের’ সঙ্গে কথা বলার পর তৃণমূলের অবস্থান জানাবেন বলে জানিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এদিকে পার্থ চট্টোপাধ্যায় তৃণমূলের অবস্থান জানাতে না পারায় বিজেপি নেতা জয়প্রকাশের মজুমদারের কটাক্ষ, সব যদি ‘দলের’ সঙ্গে কথা বলে জানাতে হয়, তাহলে এই বৈঠকের তো কোনও মানে ছিল না।
উল্লেখ্য, পার্থ চট্টোপাধ্যায় তাঁর দলের সিদ্ধান্ত জানাতে না পারায় রাজ্যপালও কোনও নির্ণায়ক মন্তব্য করতে পারেননি।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news