চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
উদয়ন গুহ, মিহির গোস্বামী, শীলভদ্র দত্তের পর বিদ্রোহী আরও এক তৃণমূল (TMC) বিধায়ক। শুধু তাই নয়, ৯০-এর দশক থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে থাকা এই বিধায়ক দল ছাড়ারও ইঙ্গিত দিয়েছেন ওই বিধায়ক। তিনি নন্দকুমারের তৃণমূল বিধায়ক সুকুমার দে। ঘটনায় প্রকাশ, বুধবার পূর্ব মেদিনীপুর তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা, ব্লক ও যুব সংগঠনের নতুন কমিটি ঘোষণা করেন জেলা সভাপতি শিশির অধিকারী। সেই তালিকায় দেখা যায়, নন্দকুমারের ব্লক সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বিধায়ক সুকুমার দে-কে। ওই পদে বসানো হয় নন্দকুমার পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুকুমার বেরাকে। আচমকাই এমন রদবদলে স্থানীয় রাজনীতিতে অপমানিত বোধ করেছেন বিধায়ক। এমন সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে নিজের ক্ষোভের কথা রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীকে জানিয়ে দিয়েছেন সুকুমার দে।
ঘটনাচক্রে, বিধায়ক সুকুমার দে-র হাত ধরেই নন্দকুমার পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি সুকুমার বেরা কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। এমন সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে নিজের অবস্থান প্রকাশ্যে জানিয়ে দিয়েছেন বিধায়ক সুকুমার দে। তিনি বলেন, “যেভাবে ব্লক সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে আমাকে অপমান করা হয়েছে, তাতে আমি ব্যাথিত। ৯০-এর দশক থেকে আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গী। কিন্তু, এতদিন বিশ্বস্ত সঙ্গী হয়ে থাকার পর যেভাবে আমাকে অপদস্থ করা হল, তা মেনে নেওয়া যাচ্ছে না।” এরপরই বিধায়ক সুকুমার দে বলেছেন, “আগামী ১৫ দিনের মধ্যেই আমি আমার সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে ঘোষণা করে দেবো।” প্রশ্ন করা হয়, “কি সিদ্ধান্ত ?” জবাবে তিনি বলেছেন, “যথা সময় জানতে পারবেন।”
এমনিতেই শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) বিদ্রোহী মেজাজের জেরে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেসের অবস্থা যথেষ্ট নড়বড়ে। তার মধ্যেই নন্দকুমারের বিধায়কের এহেন মন্তব্য তৃণমূল শিবিরে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news