নিজস্ব সংবাদদাতা:
২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের আগে আবার নন্দীগ্রাম নায়কের উপরেই নির্ভরতা বাড়ছে তৃণমূল নেত্রীর। লোকে বলে ২০১১ তে তৃণমূল কংগ্রেসের এরাজ্যে ক্ষমতায় আসার নেপথ্যে রয়েছে শুভেন্দুর নেতৃত্বে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সুফল। শুধু পুর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম কেন, হুগলির সিঙ্গুর আন্দোলন বা জঙ্গলমহলে জোড়া ফুলের রমরমার পিছনেও ছিল শুভেন্দু অধিকারীর সুচারু রাজনৈতিক কার্যকলাপ। তারপর হলদি নদি দিয়ে অনেক জল বয়ে গেছে। দিদি মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ক্রমশঃ পিছিয়েছে শুভেন্দুর কেরিয়ার গ্রাফ। যুব তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতির পদ যাওয়া থেকে শুরু করে সাংসদ পদ খোয়ানো। যদিও দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল রাজ্য মন্ত্রীসভায় প্রয়োজন বলেই শুভেন্দুকে সাংসদ পদ থেকে পদত্যাগ করানো হয়েছিল। কিন্তু লোকে বলে শুভেন্দু তার স্বকীয় ক্ষমতায় দিল্লির রাজনীতিতে বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছিলেন। সেক্ষেত্রে ভাইপোর গুরুত্ব হ্রাসের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছিল, তাই শুভেন্দু কে দিল্লি থেকে রাজ্যে নিয়ে আসা। যাই হোক, এহেন শুভেন্দুকে আবার গুরুত্ব দেওয়া শুরু করেছেন তৃণমুল নেত্রী। পঞ্চায়েত ভোটে ভালো ফল করার পর পরিবহন দফতরের পাশাপাশি তাঁর কাঁধে চাপে পরিবেশ দফতরের দায়িত্বও। এদিকে শুক্রবার দলীয় কোর কমিটির বৈঠকের পর তৃণমূল নেত্রীর ঘোষণার পর দেখা যাচ্ছে রাজ্যে ৪২ টি আসনের মধ্যে ১৩ টি আসনের ভার দেওয়া হল সেই শুভেন্দু অধিকারীকেই। এমনিতে মালদহ, মুর্শিদাবাদ ও উত্তর দিনাজপুর জেলার পর্যবেক্ষক হিসাবে এই তিন জেলার ৬ টি লোকসভা আসনের ভার রয়েছে তার উপর। পাশাপাশি এদিন নদীয়া জেলার ২ টি আসন, ঝাড়গ্রামের ১ টি আসন ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটাল ও মেদিনীপুর আসন এর ভার শুভেন্দুর উপরেই ছেড়েছেন তৃণমূল নেত্রী। এছাড়া শুভেন্দুর নিজের জেলা পুর্ব মেদিনীপুরের তমলুক ও কাঁথি আসনের ভার এমনিতেই রয়েছে তাঁর উপর। ফলে রাজ্যের সাতটি জেলার ১৩ টি আসন জিতিয়ে আনার জন্য শুভেন্দুকেই বেছে নিলেন দলনেত্রী।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news