ডম্বরুপাণি উপাধ্যায় :
তিনি যুব তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি। মিডিয়ার চোখে তিনি যুবরাজ। তৃণমূল ‘সাম্রাজ্যের’ অলিখিত উত্তরাধিকার তাঁরই হাতে। সর্বোপরি তিনি ভাইপো। এত কিছুর পরে তিনি আবার পুরুলিয়া জেলার পর্যবেক্ষকও বটে। সেই পুরুলিয়াতেই কি না পঞ্চায়েতে পাঁচ গোল দিল বিজেপি!
তাহলে উপায়?
গোল খেয়ে গোল হজম করা ছাড়া ছবি বদলের আশু কোনও উপায় নেই। কোনও কোনও মহলকে দিয়ে পুরুলিয়ার কৃতীত্ব মুকুলের নয় দিলীপের, এই প্রকার একটা প্রচার চালিয়ে ক্ষতে কিঞ্চিত প্রলেপ লাগানো হল! এমনিতে ঘর ভাঙানোর রাজনীতিতে, গৃহবিবাদ লাগানোর রাজনীতিতে তৃণমূল সিদ্ধহস্ত। তা সে ফুরফুরা শরিফে ত্বহা সিদ্দিকির সঙ্গে তাঁর ভাইপোর হোক কিংবা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর। ভুক্তভোগীরা এই অভিযোগ কখনও আড়ালে কখনও বা প্রকাশ্যে করেই থাকেন। এমনকি প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির পরিবার কিংবা বরকত গণি খান চৌধুরীর পরিবারও এই অভিজ্ঞতা থেকে বঞ্চিত হন নি। তবে প্রেম ও যুদ্ধে কিছুই অনৈতিক নয়, এই আপ্তবাক্য মেনে নিলে এটা তৃণমূলের দোষ নয় গুণ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিত্বের আকর্ষণী ক্ষমতাও হতে পারে।
সে যাই হোক পুরুলিয়ার ফলাফল তৃণমূলের (পড়ুন অভিষেকের) ইগোতে আঘাত করেছে।
অভিষেকও যুবরাজ সুলভ তিরস্কার করে পুরুলিয়ায় দলের নেতাদের অপসারণের আদেশ দিতে সময় নষ্ট করেন নি।
শনিবার দুপুরে পুরুলিয়া সার্কিট হাউসে বসে দলীয় সাংগঠনিক নেতা, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের টানা দু’ঘণ্টা রীতিমত ক্লাস নেন পুরুলিয়া জেলা পর্যবেক্ষক অভিষেক। পঞ্চায়েতে খারাপ ফল হওয়া বলরামপুরের ব্লক সভাপতি এবং পঞ্চায়েত সমিতির বিদায়ী সহ-সভাপতি সুদীপ মাহাতোকে রীতিমত কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেন তিনি। এদিন অবশ্য সুদীপের বাবা ওই এলাকার বাসিন্দা তথা জেলা পরিষদের বিদায়ী সভাধিপতি সৃস্টিধর মাহাতো বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না। বৈঠক থেকেই বলরামপুর, রঘুনাথপুর-১,রঘুনাথপু
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news