Breaking News
Home / TRENDING / মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের অধীনস্থ কারা দপ্তর প্যারোল মঞ্জুর করেনি, অভিযোগ মদনের

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের অধীনস্থ কারা দপ্তর প্যারোল মঞ্জুর করেনি, অভিযোগ মদনের

নীল রায়। “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের অধীনস্থ কারা দপ্তর তাঁর প্যারোল মঞ্জুর করেনি।” এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী মদন মিত্র। মদন বলেন, “আমি প্যারোল চেয়েছিলাম। পাইনি। আমায় বলা হয়েছিল নির্বাচন কমিশন দিচ্ছে না। পরে জেনেছি, প্যারোল দেওয়া – না দেওয়ায় কমিশনের কোনও হাত নেই। আমি ৪৩টি আবেদন করেছিলাম কারা দফতরকে। কিন্তু সেই সব চেপে দেওয়া হয়েছিল।” নাম করে তোপ দাগেন প্রয়াত তৃণমূল নেতা তথা তৎকালীন কারামন্ত্রী হায়দার আজিজ সফির বিরুদ্ধে। মদন মিত্র বলেন, “আজ তিনি নেই। কবরে চলে গিয়েছেন। তাই উত্তর দিতে পারবেন না। তাঁর সরকারই যে আমায় প্যারোল দেয়নি, এটা হয়তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানেন না। কিন্তু এটাই সত্যি।” তাঁর আক্ষেপ, কিছু দিনের জন্য প্যারোল পেলে হারতে হতো না তাঁকে। প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন মদন মৃত্যুর করতে হয়েছিল আলিপুর‌ সেন্ট্রাল জেলে বন্দি থেকেই। মদন মিত্র আর কোনদিনও ফিরবেন না এমন প্রচারই কামারহাটি তে তাঁকে হারিয়ে দিয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন মদন। জেলে থাকার সময়ে প্যারোল না পাওয়া নিয়ে ইউএপিএ আইনে বন্দি মাওবাদী নেতা ছত্রধর মাহাতোর কথাও উল্লেখ করেন মদন। বলেন, “ছত্রধর আমায় বলেছিল, আমি মাওবাদী। দেশদ্রোহী। তাও আমি ১৫ দিনের প্যারোল পেয়েছি। আপনি পেলেন না!” সারদা কাণ্ডে অভিযুক্ত হয়ে ২২ মাস তাঁকে। দলের অন্দরেই যে তাকে অনেকে নানা অভিযোগে অভিযুক্ত করেছেন সে কথা খেদের সুরে বলেছেন মদন মিত্র। তিনি বলেন, “আমাদের পার্টির কিছু নেতা বলছে তাঁদের নামেও সিবিআই ছিল কিন্তু তাঁরা জিতেছেন। জো জিতা ওহি সিকান্দর। কিন্তু আমি মনে করিয়ে দিতে চাই, তাঁদের সিবিআইয়ের বোঝা বইতে হয়নি।” উদাহরণস্বরূপ তিনি নাম করেন লোকসভার দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দমদমের সাংসদ সৌগত রায়, পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, বারাসাতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার, আরামবাগের সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের। ফেসবুক লাইভে মদন অভিযোগ করেছেন,দল তাঁকে কোনদিনও ঘরের কাছের কোন আসনে প্রার্থী করেনি। বিতর্কিত এই তৃণমূল নেতা বলেন, “আমাদের কোনও নেতাকে দূরে গিয়ে দাঁড়াতে হয়নি। সবাই বাড়ির কাছে দাঁড়িয়ে জিতেছেন। আর আমি যতবার দাঁড়িয়েছি ততবার ২৫-৩০ কিলোমিটার দূরে গিয়ে।” প্রসঙ্গত মদন মিত্র কে তৃণমূলের পক্ষ থেকে লড়াই করতে পাঠানো হয়েছে কখনও শ্যামপুকুর, কখনও বিষ্ণুপুর পশ্চিম, কখনও কামারহাটি আবার কখনও ভাটপাড়াতে। বাম জামানতে বিষ্ণুপুর পশ্চিম আসনে তিনি যে ৩০ হাজারেরও বেশি ভোটে জয়ী হয়েছিলেন। সেই রেকর্ডের কথাও এদিন উল্লেখ করেছেন মদন। এদিন প্রায় ৫০ মিনিটের ফেসবুক লাইভে তৃণমূলের সঙ্গে মদনের সম্পর্কের কাল কেটেছে বারবার! সম্প্রতি দমদম লোকসভা কেন্দ্র তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি করা হয়েছে বর্ষিয়ান রাজনীতিক তাপস রায়কে। সেই সিদ্ধান্ত যে মদন ভালোভাবে মেনে নিতে পারেননি তাও বুঝিয়ে দিয়েছেন এদিনের ফেসবুক লাইভে!

Spread the love

Check Also

Big Breaking: হুমায়ুনকে ওয়েসির ‘ফিলার,’ কী উত্তর দিলেন তৃণমূলের বিধায়ক

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুনকে ওয়েসির ফোন! দল তাঁকে শো-কজ করেছে। তিনি সেই শো-কজের উত্তরও দিয়েছেন। তাতেও …

রাহুলের পাইলট প্রোজেক্ট, মুর্শিদাবাদ কংগ্রেসে আধিপত্য হারাতে পারেন অধীর

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে রাহুল গান্ধির নতুন উদ্যোগে মুর্শিদাবাদের কংগ্রেস রাজনীতিতে খর্ব হতে পারে অধীর …

আমি আসছি! নাম না করে শুভেন্দুকে শাসালেন আনিসুর

চ্যানেল হিন্দুস্থান, নিউজ ডেস্ক: নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারিকে শাসালেন আনিসুর রহমান। একদা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *