Breaking News
Home / TRENDING / বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে শুভেন্দু।

বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে শুভেন্দু।

চ্যানেল হিন্দুস্থান নিউজ ডেস্ক :

এ এক বিরল দৃশ্য। সংবিধান দিবসের দিন যার সাক্ষী থাকল বিধানসভা। আর তা হলো মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে ‘পা’রাখলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মনোজ টিগগা ও অগ্নিমিত্রা পাল ও অশোক লাহিড়ীকে নিয়ে ‘সৌজন্য সাক্ষাৎকার’ করতে এদিন বিধানসভাতে মুখ্যমন্ত্রীর জন্যে নির্দিষ্ট ঘরে গেলেন তিনি।

যদিও মাত্র ৪ মিনিট মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে ছিলেন বিরোধী দলনেতা। প্রাথমিক ভাবে ‘চা’ খাওযার জন্যে বিরোধী দলনেতা কে নিমন্ত্রণ করলেও পরে বিরোধী দলনেতা বলেন, ” এটা সৌজন্য সাক্ষাত ছিল, যদিও চা যাওয়া হয় নি।”

২০২১ সালে তৃণমূলের সরকার তৈরির পর এই প্রথম বিধানসভার ভিতরে নন্দীগ্রামের জয়ী ও পরাজিত প্রার্থী মুখোমুখি হলেন। কিন্তু হঠাৎ কেন আলাদা করে বৈঠক?

মুখ্যমন্ত্রী র বক্তব্য, “শুভেন্দুকে চা খেতে দেখেছিলাম।” তবে শেষ পর্যন্ত সময়ের অভাবে আর সেই ‘চা পান’ হয়নি। এদিন বিধানসভাতে একাধিক পরিসংখ্যান তুলে ধরে রাজ্যের শাসক দলকে তীব্র আক্রমণ শানান শুভেন্দু। কলেজ নির্বাচন থেকে শুরু করে একাধিক প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু জানান ‘ এই সরকার এখন বাই দ্য পার্টি, ফর দ্য পার্টি, অফ দ্য পার্টি। রাজ্যে গনতন্ত্র বলে কিছু নেই। ”
এর পাল্টা বিধানসভা তে শুভেন্দু কে ভাই বলে সম্বোধন করে কার্যত চমকে দেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন “যাকে ভাই এর মতো স্নেহ করেছি, ডেকেছি, সে বলছে রাজ্যে গনতন্ত্র নেই? বলছে ফর দ্য পার্টি, বাই দ্য পার্টি , অফ দ্য পার্টি! কেন্দ্র কি তবে ফর দ্য এজেন্সি, বাই দ্য এজেন্সি অফ দ্য এজেন্সি?”

শুক্রবার ‘সংবিধান দিবস’ পালিত হচ্ছে বিধানসভা। পাশাপাশি নতুন ভবনের উদ্বোধনও। কিন্তু সেই অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্রে নাম নেই বিরোধী দলনেতার, এই অভিযোগ তুলে তিনি অনুষ্ঠান বয়কট করেছেন। এরপরই মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে নিজের ঘরে ডেকে পাঠান।

ইদানীংকালে মুখ্যমন্ত্রী ও বিরোধীদলনেতার যে সম্পর্ক তাতে উল্লেখযোগ্য হয়ে রইল শুক্রবার দুপুরের বিধানসভার ঘটনা।নতুন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের শপথগ্রহণ ঘিরে নতুন করে সরগরম হয় রাজ্য রাজনীতি। শুভেন্দু শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ না দিয়ে দায় ঠেলেন মুখ্যমন্ত্রীর দিকে। তার ঠিক দু’দিন পর বিধানসভায় দু’জনের সাক্ষাৎ।

   শুভেন্দুর বাবা,তথা কাঁথির সাংসদ শিশির অধিকারীর কথাও শুক্রবার বলেন মমতা। তাঁর কথায়, ” দল গঠনের সময় আপনি ছিলেন না। শিশির দা আমাদের বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছিলেন। আমি তাকে সন্মান করি।” গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন শুভেন্দু। তার অনেক আগে থেকেই দলনেত্রীর সঙ্গে তাঁর দূরত্ব তৈরি হয়। এর পরে বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ওঁরা। জেতেন শুভেন্দু। সেই বিতর্কের রেশ কাটার আগেই বিধানসভা দেখল অচেনা ছবি।

তবে ক্ষণিকের হলেও সেই সাক্ষাতে ঠিক কী কথা হয়েছে, বা কোনও কথা হয়েছে কি না তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি।

Spread the love

Check Also

Big Breaking: হুমায়ুনকে ওয়েসির ‘ফিলার,’ কী উত্তর দিলেন তৃণমূলের বিধায়ক

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুনকে ওয়েসির ফোন! দল তাঁকে শো-কজ করেছে। তিনি সেই শো-কজের উত্তরও দিয়েছেন। তাতেও …

রাহুলের পাইলট প্রোজেক্ট, মুর্শিদাবাদ কংগ্রেসে আধিপত্য হারাতে পারেন অধীর

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে রাহুল গান্ধির নতুন উদ্যোগে মুর্শিদাবাদের কংগ্রেস রাজনীতিতে খর্ব হতে পারে অধীর …

আমি আসছি! নাম না করে শুভেন্দুকে শাসালেন আনিসুর

চ্যানেল হিন্দুস্থান, নিউজ ডেস্ক: নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারিকে শাসালেন আনিসুর রহমান। একদা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *