চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) কেন্দ্রীয় সরকার বিরোধী আন্দোলন নিয়ে বড় প্রশ্ন ছিলই। নতুন কৃষি সংক্রান্ত আইন নিয়ে তৃণমূলের অবস্থান প্রসঙ্গে আবারও সন্দেহ দানা বেঁধেছে বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরে। কারণ বিজেপির সবচেয়ে পুরনো সহযোগী পাঞ্জাবের শিরোমনি অকালি দল শুধু কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভা ত্যাগ করেনি, এই ইস্যুতে মোদি সরকার (Narendra Modi Govt.) থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নিয়েছে তারা। পাস হওয়া কৃষি বিল চূড়ান্ত সিলমোহরের জন্য গিয়েছিল রাইসিনা হিলসে। রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় তাতে স্বাক্ষর করেছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। যার ফলে যে বিল সংসদে পাস হয়েছিল তা আনুষ্ঠানিক ভাবে আইনে পরিণত হয়ে গিয়েছে।
কৃষি আইনের প্রতিবাদে এবার অনশনে বসতে চলেছেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং। স্বাধীনতা সংগ্রামী ভগত সিংহের গ্রাম খাটকার কালানে আজ অনশনে বসবেন তিনি। এতকিছুর মধ্যে কৃষি বিল নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও সরাসরি ময়দানে নামেননি। কয়েকটি টুইট ও তৃণমূলের বিভিন্ন শাখা সংগঠনকে দিয়ে কলকাতায় প্রতিবাদ কর্মসূচি করালেও নিজে রয়ে গিয়েছেন অন্তরালেই। আর এই সুযোগে মমতার তীব্র সমালোচক রাজ্যের বামফ্রন্ট ও কংগ্রেসের জোট মুখ্যমন্ত্রীকে বিজেপির সখী বলে আক্রমণ শানিয়েছেন।
রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের ধারণা ছিল, যেহেতু এ রাজ্যে কৃষক আন্দোলন করেই তৃণমূল ক্ষমতায় এসেছে, তাই কৃষি বিল নিয়ে সর্বভারতীয় স্তরে ফের সরব হবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কারণ, নোটবন্দীর সময় বিহার, ওড়িশা, দিল্লিতে গিয়ে নরেন্দ্র মোদীর সরকারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিলেন মমতা। তাই মনে করা হয়েছিল কৃষি বিল ইস্যুতে সিঙ্গুর নন্দীগ্রামের পুরনো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখবে দেশ। কিন্তু, নাগরিক সংশোধনী আইন নিয়ে যেভাবে সরব হয়ে পথে নেমে পড়েছিলেন মমতা, এবার তার ছিঁটেফোঁটা লক্ষ্য করা যায়নি।
নাকি, কৃষি বিল ইস্যুতে নরম অবস্থান নিয়ে দিল্লিকে আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে কিছু বার্তা দিতে চাইছেন তৃণমূল সুপ্রিমো?
এই প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলে।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news