চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
করোনা ভাইরাসের (Coronavirus) সংক্রমণের দাপটে ফের রাজ্যের কনটেইনমেন্ট জোনগুলিতে লকডাউন ঘোষণা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। আর মুখ্যমন্ত্রীর সেই এই লকডাউন ঘোষণাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে শাসক-বিরোধী তর্জা। রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর এই লকডাউনকে খোঁচা দিয়ে বলেছে ‘চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে’ বলে আক্রমণ শানাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপির সহ সভানেত্রী ভারতী ঘোষ (Bharati Ghosh) বলেছেন, “পরীক্ষার হলে গিয়ে পরীক্ষায় বসার সময় যদি মনে হয় পেন আনিনি। পেনটা নিয়ে এসে পরীক্ষা দেবো তাহলে কি শিক্ষক আলাদা করে বেশি সময় দেবেন? দেবেন না। কারণ সব কিছুর নির্দিষ্ট সময় থাকে। তাই যখন কড়া লকডাউন মানার কথা তখন মুখ্যমন্ত্রী দোকান বাজার, মিষ্টি দোকান খুলে দিয়েছিলেন।”
প্রাক্তন এই আইপিএসের প্রশ্ন “যখন কঠোর লকডাউন করার কথা। তখন আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মদের দোকান, ফুলের দোকান, মিষ্টির দোকান খুলে বসে আছেন। তাহলে আর লকডাউন হলো কোথায় ? আর মানলো কে? তিনি আরও বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের পরিস্থিতি সামলাতে ডাহা ফেল করেছেন। তিন মাসে করোনা আটকানো গেলো না সেখানে উনি সাত দিনে করোনা আটকাবে।” করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে ভুগতে যে রাজ্য সরকারের পদক্ষেপ সদর্থক নয় তাও উল্লেখ করেছেন এদিন।
করোনা ভাইরাস প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর করা নানা মন্তব্য প্রসঙ্গে ভারতী ঘোষ বলেছেন, “উনিই তো বলেছিলেন করোনাকে পাস বালিশ করে নিতে হবে। আসলে কখন কি বলছেন উনি নিজেও জানেন না। করোনাকে আটকানোর কোনও সদিচ্ছায় নেই মুখ্যমন্ত্রীর। করোনার সংক্রমণ রোধের কথা না ভেবেই উনি কতক্ষণে বিজেপিকে আটকাবে সেই চিন্তা করে।” প্রসঙ্গত, বর্তমানে বিজেপি (BJP) নেত্রী ভারতী ঘোষ একসময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ পুলিশ কর্তাদের একজন ছিলেন। কিন্তু রাজ্য সরকারের সঙ্গে বনিবনা জেরে শেষ পর্যন্ত চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। তারপর থেকেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তীব্র সমালোচক হয়ে উঠেছেন রাজ্য বিজেপির সহ-সভানেত্রী।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news