চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
গত শুক্রবার নাইজিন নভগর্ড শহরে লোকাল ব্রাঞ্চ অফ দা ইন্টেরিয়ার মিনিস্ট্রির সামনে আগুনে পুড়ে মৃত্যু হল এক রাশিয়ান সাংবাদিকের। এই ঘটনার পর পুলিশ তাঁর আবাসনে তল্লাশি চালায়, এবং সেখান থেকে তার নিউজ আউটলেট পাওয়া যায়। যদিও এই ঘটনা ঘটার আগে মৃত মহিলা সাংবাদিক ইরিনা সালবিনা (Irina Salbin) তাঁর নিজের ফেসবুক পেজে একটি বিবৃতিতে লেখেন ” আমি আমার মৃত্যুর জন্য আপনাদেরকে রাশিয়ান ফেডারেশন কে দায়ী করতে অনুরোধ জানাচ্ছি। তিনি কোজা প্রেসে সহ সম্পাদক হিসেবে কাজ করতেন। এটি হলো একটি ছোট্ট নিউজ আউটলেট যেটির বিজ্ঞাপন ছিল “সেন্সরশিপ পাওয়ার কোনো আদেশ নেই”। তাঁর মৃত্যুর আগে তিনি এটাও লিখে যান যে, রাশিয়ান পুলিশ বাড়িতে তল্লাশি চালায় এই বলে যে তার কাছে ক্রেমলিন ক্রিটিক মিখাইল খোরডোকোভস্কির অর্থসাহায্যে পরিচালিত ওপেন রাশিয়ান বিরোধীদলের লিফলেট এবং হিসেব-নিকেশ সংক্রান্ত কিছু কাগজপত্র রয়েছে।
তিনি অভিযোগের সুরে বলেছিলেন, “পুলিশ এসে তাঁর নোটবুক থেকে শুরু করে তার ল্যাপটপ এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিকস্ জিনিসপত্র সহ তার মেয়ের ল্যাপটপ এবং স্বামীর মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়।” রাশিয়ান তদন্তকারী সংস্থা বলেন এটা আত্মহত্যারপর একটি প্রাথমিক তদন্ত। মস্কো থেকে এই ঘটনাস্থলটি ২৫০ মাইল দূরে অবস্থিত। নাইজিন নভগর্ড অঞ্চলের স্থানীয় শাখা জানায় মৃত সাংবাদিক সালভিনার আত্মহত্যার সঙ্গে পূর্বে তার আবাসনে ঘটে যাওয়া তদন্তের কোন যোগসূত্র নেই। এ প্রসঙ্গে রাশিয়ান বিরোধী দল বলেছে, মৃতা সাংবাদিক সেলভিনাকে তাঁর উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বাধ্য করেছে এই ঘটনা ঘটানোর জন্য। বিরোধী দলের সদস্য ডিমিট্রি গুডকভ তার ইনস্টাগ্রাম পেজে লেখেন “কি ভয়ঙ্কর দুঃস্বপ্ন”। অন্যদিকে আরেক ক্রিমলাইন ক্রিটিক ইলিয়া ইয়াসিন তাঁর টুইটার হ্যান্ডেলে লেখেন “এই সমস্ত ঘটনাগুলিকে পুলিশ একটি মজার ছলে দেখছে, “এর দ্বারাই বোঝা যায় যে তারা মুখোশের আড়ালে রয়েছেন, এগুলো নিছকই কোন খেলার ছলে ঘটে যাওয়া সাধারণ ঘটনা নয়, সরকার সত্যই জনসাধারণকে মানসিক দিক থেকে ভেঙে দিচ্ছে”।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news