চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
বিদ্রোহী হয়ে উঠছেন তৃণমূলের (TMC) নেতা থেকে বিধায়করা। সোমবার সেই তালিকা সংযোজিত হয়েছিল আসানসোলের মেয়র তথা পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক জিতেন তিওয়ারির (Jiten Tiwari) নাম। আসানসোলকে স্মার্ট সিটির মর্যাদা দেওয়া হচ্ছে না বলে রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের (Firhad Hakim) দিকে পত্রাঘাত করেছিলেন তিনি। যদি পাল্টা জবাবে আসানসোলের মেয়রকে বৈঠকে তলব করেছিলেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছিল, সন্ধ্যায় ক্যামাক স্ট্রীটের অফিসে পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়কের বৈঠকে বসবেন প্রশান্ত কিশোর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিমরা। ওইদিন রাত পর্যন্ত সাতবার ফোন করলেও পুরমন্ত্রীর ফোন ধরেননি তিনি। তখন থেকেই আশঙ্কার কালো মেঘ ঘনাতে শুরু করেছিল।
মঙ্গলবার সকালে জানা গিয়েছে, শীর্ষ নেতৃত্বের ডাকা বৈঠকে আসছেন না জিতেন তিওয়ারি। তাঁর বৈঠকে না আসার কোনও সঠিক কারণ জানতে পারেনি কালীঘাট। রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচনে পাণ্ডবেশ্বর থেকে বিপুল ব্যবধানে পিছিয়ে গিয়েছিল তৃণমূল। তাই যথা সময়ে অংক কষেই এবার বিজেপির পথে পা বাড়িয়েছেন জিতেন। আসানসোলের মেয়রের এমন কাণ্ড কারখানা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে তৃণমূলের। এর আগে বিধাননগরের পুর নিগমের মেয়র সব্যসাচী দত্ত তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে (BJP) গিয়েছেন। এবার জিতেন তিওয়ারিকে নিয়ে জল্পনা সত্যি হলে দ্বিতীয় বার ধাক্কা খেতে চলেছে জোড়াফুল শিবির।
শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে চরম অস্বস্তিতে রয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। যতদিন না নন্দীগ্রাম বিধায়ক দলবদল করছেন ততদিন দলের অভ্যন্তরে কাঁটাই হয়ে রয়ে গিয়েছেন তিনি। এর মধ্যে ময়নাগুড়ির তৃণমূল বিধায়ক অনন্ত দেব অধিকারী আবার প্রশান্ত কিশোরের নির্দেশ মানতে সরাসরি অস্বীকার করেছেন। মঙ্গলবার রাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর্দিনের সঙ্গী হাওড়ার তৃণমূল নেতা বাণী সিংহ রায় প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পক্ষে মুখ খুলে দলের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news